কাজী ওহিদ,গোপালগঞ্জ থেকেঃ- অগ্রনী ব্যাংক লিমিটেড মুকসুদপুর শাখা গোপালগঞ্জের নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ অগ্রনী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদের পরিচালক কে. এম. এন মঞ্জুরুল হক লাবলু। ২১ জানুয়ারী সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুরাতন ভবন পরিবর্তন করে পোস্ট অফিস রোডে অবস্থিত ইমদান ফেয়ার ভিউ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অগ্রনী ব্যাংকের আয়োজনে অগ্রনী ব্যাংকের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র এ্যাডঃ মোঃ আতিকুর রহমান মিয়ার সভাপতিত্বে ও অগ্রনী ব্যাংকের মুকসুদপুর শাখার ব্যাবস্থাপক মোঃ সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অগ্রনী ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের পরিচালক কে. এম. এন. মঞ্জুরুল হক লাবলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কাবির মিয়া, সাবেক গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোত্তাদির রহমান ছিরু,গোপালগঞ্জের অগ্রনী ব্যাংক লিমিটেড সহকারী ব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান সৈয়দ ইয়াজুল হক, অগ্রনী ব্যাংক গোপালগঞ্জের সাবেক এজিএম মুজিবুর রহমান, সাবেক এজি এম সুধাংশু শেখর, সাপ্তাহিক বাংলার নয়ন পত্রিকার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বেলায়েত, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুজ্জাত হোসেন লিটু, পাক্ষিক মুকসুদপুর সংবাদের সম্পাদক হায়দার হোসেন, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ছিরু মিয়া, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন আহমেদ, ফজিলাতুন্নেছা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ খ,ম. শাহাদাৎ হোসেন মিজান,অগ্রনি ব্যাংকের গ্রাহক লেন্টু মিয়া,প্রমুখ।এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাপ্তাহিক মধুমতি কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সহ- সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহিদ,সহ-সভাপতি সরদার মজিবুর রহমান, মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান লেবু, দৈনিক নবরাজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি,বাংলা টিভির উপজেলা প্রতিনিধি ও মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক হাদিউজ্জামান হাদি,দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি, সাপ্তাহিক মধুমতি কন্ঠ পত্রিকার ব্যবস্হাপনা সম্পাদক ও মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শরিফুল রুমান,সি এন,এন টিভির উপজেলা প্রতিনিধি ওয়াসিম মিয়া, সাংবাদিক মেহের মামুন,ব্যাংকের কর্মচারি কর্মকর্তা বৃন্দ ও ব্যাংকের গ্রাহকবৃন্দরা।