অমিত ভৌমিকঃ ইতোমধ্যেই অনেকেই জানেন নিশ্চয়ই অজ্ঞতা বা ভুলে বা স্বেচ্ছায় চীনা ভ্যাকসিন ক্রয় সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় এক গোপন চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস করায় অতিরিক্ত সচিব মিসেস শাহিদাকে ওএসডি করা হয়েছে।

বেশ! কিন্তু কেবল ওএসডি? বরখাস্তের সাথে কেন গ্রেফতার নয়? উঁচু স্তরের কর্মকর্তা তাই? তার বদলে এ কাজ নীচুতলার কেউ করলেও কি এই একই ব্যাবস্হা নেয়া হতো? মানুষের মনে কিন্তু এই প্রশ্নগুলো ঘুরছে।

তার কৃতকর্মের অপরাধের মাত্রা কেমন হতে পারে তা ধারণাতীত। কয়েকশত (অসমর্থিত সূত্রে ছয়’শ কোটি) কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাষ্ট্রর কপালে আস্থাহীনতা,বিশ্বাস ভঙ্গের অমর্যাদাকর তিলক পড়লো।

জানিনা, (রাষ্ট্রদ্রোহী নয়?) গুরুতর এই অপরাধের জন্য তাকে কি শাস্তি পেতে হবে। তবে সেটা দৃষ্টান্তমূলক হবে বলেই সাধারণের প্রত্যাশা।

ইতিমধ্যে সিনোফার্মা (সঙ্গত কারণেই) বেগড়বাই বা চুক্তি সই নিয়ে সঙ্কট দেখা দিয়েছে বলে শুনছি; এইবার তাহলে কি বোঝা গেল রাষ্ট্রীয় চুক্তির গোপনীয় ক্লজের গুরুত্ব ঠিক কতটা?

সুত্রঃ ফেইসবুক ওয়াল থেকে