সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার সূবর্ণখালী নদী থেকে ড্রেজিং সিস্টেম পরিবর্তন করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

১লা আগস্ট উপজেলার সূবর্ণখালী নদীর শেষ সীমানা গুয়াখড়া নৌকা পারাপার ঘাটের দক্ষিণ পাশে ২নং পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ জামাল উদ্দিনের বাড়ির সম্মুখ থেকে অবৈধভাবে থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে বলে জানা যায়।

পূর্ব থেকেই কিছু অসাধু মহল এই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে।উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টিতে মাঝে, মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বন্ধ করা হলেও পরক্ষণেই তারা আবার শুরু করতেন বালু উত্তোলন। এভাবেই বিগত কয়েক বছর ধরে অসাধু মহল এই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এভাবে বালু উত্তোলনের কারনে কয়েকশত বিঘা আবাদি জমি ইতিমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়,বালু উত্তোলনে এবার তারা অভিনব কৌশল অবলম্বন করেছে।পূর্বে ড্রেজার নদীতে বসিয়ে ছোট, ছোট পাইপের মাধ্যমে দূরে কোথাও বালু ফেলা হতো যা সর্বসাধারনের চেখে পড়তো। যার কারনে এবার তারা অভিনব কায়দা অবলম্বন করেছে।এক জাতীয় স্টিলের তৈরি নৌকা যার ভেতরেই মেশিনসহ বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, নদীর এক জায়গায় দাঁড়িয়ে নৌকার সমস্যার কথা বলে অভিনব কায়দায় উত্তোলন করা হচ্ছে বালু যা কাছ থেকে না দেখলে বিশ্বাসই করা যাবে না যে নদী থেকে ড্রেজিং এর মাধ্যমে বালু উত্তোলন করছে। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতেই তারা বালু উত্তোলনের এই অভিনব কায়দা অবলম্বন করেছে যা ইতিপূর্বে আমরা দেখিনি।

এই ব্যাপারে ইউপি সদস্য মোঃ জামাল উদ্দিন এই প্রতিবেদক কে জানায়,বিগত কয়েকদিন যাবৎ এভাবেই আমার বাড়ীর সম্মুখ থেকে এভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। কে বা কারা করছে তা সঠিক বলতে পারবো না। আমরা স্থানীয়রা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করেও কোন কিছু করা যায়নি। এ বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন কে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।তবে এভাবে চলতে থাকলে আবাদি জমিসহ বাড়িঘর অচিরেই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

তাই অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।