ইমরান খান,ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃঢাকার ধামরাইয়ে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে স্বামীর পরকীয়া প্রেমে বাঁধা দেয়ার বলি হয়েছে বলে অভিযোগ উটেছে।রোববার রাতে এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাথুলী গ্রামে। এঘটনায় গ্রেফতারকৃত শ্বশুর শাশুড়িকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে,পৌর শহরের কুমড়াইল কাগুজিয়া পাড়া মহল্লার মোঃ আব্দুল লতিফের মেয়ে মুনমুন(২২) নামে এক তরুণীর এক যুগ আগে কাবিন রেজিষ্ট্রিমূলে বিয়ে হয় উপজেলার বাথুলী গ্রামের মোঃ শাজাহান কানার ছেলে মোঃ আজাহার আলীর সঙ্গে। তাদের দম্পত্য জীবনে রয়েছে ৮বছর বয়সী এক পুত্র সন্তান। এরপরও ওই গৃহবধূর স্বামী মোঃ আজাহার আলী প্রতিবেশী এক মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এতে বাঁধা দিলে ওই গৃহবধূর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায়।
এরই ধারাবাহিকতায় সপ্তাহখানেক আগে ওই গৃহবধূর ওপর নির্যাতন চালায় স্বামী,শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে অমানুষিক জুলুম নির্যাতন চালায়। এতে সে গুরুতর আহত হলে তাকে ইসলামপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকালে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি চলে আসে। এরপর পরিবারের সবাই মিলে তাকে গালমন্দ করে। আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করে চলে যায়।
এরপর ওই গৃহবধূর শোবার ঘরের আড়ের সঙ্গে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় প্রতিবেশীরা। তারা থানায় খবর দিলে এসআই সেকেন্দার আলী ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে সোববার সকালে। লাশের ছুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এব্যাপারে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সেই সঙ্গে শ্বশুর শাজাহান কানা ও শাশুড়ি মিসেস শাজাহানকে গ্রেফতার করা হয়। দিনশেষে তাদেরকে বিকালে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগি পরিবারের লোকজন জানায়।
এব্যাপারে এসআই সেকেন্দার আরী জানান,ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার শ্বশুর শাশুড়ি নির্দোষ হওয়ায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া বিষয়টি বাদি-বিবাদির মধ্যে সমঝোতারও কথা চলছে।