নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : পাকিস্তানি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স-আইএসআই নারায়ণগঞ্জে গোপন বৈঠক করছে বলে দাবি করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী একেএম শামীম ওসমান। তিনি বলেন, আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে। নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি স্থানে ও বাসায় পাকিস্তানি নাগরিকদের নিয়ে গোপন বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে নির্বাচনে বড় ধরনের নাশকতা ঘটানো হবে। এ জন্য দেশি-বিদেশি কিছু অপশক্তি এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জে প্রবেশ করেছে। আর এ জন্য ধানের শীষের প্রার্থী কাসেমী বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ কম করছেন। কিন্তু কাসেমী বিভিন্ন স্থানে রাস্তার মধ্যে দামি দামি গাড়িতে বসে অচেনা অজানা লোকের সঙ্গে মিটিং করছেন। ওইসব গাড়ির নেমপ্লেট পর্যন্ত নেই। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিছু একটা ঘটাতে চায় তারা।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে শামীম ওসমান বলেন, এসব তথ্য ও অভিযোগ লিখিত আকারে জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম ওসমান বলেন, বিএনপির তারেক রহমানের পরিকল্পনা ও পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইর মাধ্যমে নির্বাচনে ভয়ঙ্কর নাশকাতা ঘটাতে নারায়ণগঞ্জকে টার্গেট করা হয়েছে। এসব ঘটাতেই নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেওয়া হয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমীর হাতে। তাই তার ওপর কোনো ঘটনা ঘটিয়ে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র যাতে না হয়, সে লক্ষ্যে কাসেমীকে নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে আহ্বান জানিয়েছেন শামীম ওসমান। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জে কারা প্রবেশ করছে, সে বিষয়ে নজর রাখারও আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, নির্বাচন বানচালের জন্য তারেক রহমান পাকিস্তানের আইএসআইর সহায়তা নিয়ে দেশে ভয়ঙ্কর কিছু ঘটাতে চাইছে। এ জন্য দেশের বিভিন্ন জেলার মতো নারায়ণগঞ্জকেও টার্গেট করা হয়েছে। আর টার্গেট পরিপূর্ণ করতে বেছে নেওয়া হয়েছে ধানের শীষের প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমীকে।