নাদির আহমেদ পারভেজ:
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকারকে যেকারণে চায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ চেয়ারম্যান। এদিকে সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বরমী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সম্ভাব্য দৌড় ঝাপ শুরু করেছেন। বিশেষ জহিরুল ইসলাম সরকার চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে সাড়া ফেলেছে ব্যাপক ভাবে। চায়ের দোকান, পাড়া মহল্লা, মাঠঘাট, হাটবাজার সর্বত্র সাধারণ মানুষের মাঝে চলছে সরগরম আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য তৎপরতা শুরু করেছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের মতে, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জহিরুল ইসলামকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার আকাশচুম্বি যে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাতে যোগ্য প্রার্থী জহিরুল ইসলাম।

দল ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ। তৃণমুল নেতাকর্মিদের সঙ্গে থেকে এখনও সাধারণ মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তিনি। জহিরুল ইসলাম সরকারের সিদ্ধান্ত দলীয় নেতাকর্মী ও জনগণের ওপর। তাকে বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে চান সাধারণ মানুষ। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করছেন তিনি। বিশিষ্ট সমাজসেবক। বিশিষ্ট সমাজসেবক হিসেবে সকলের কাছেই সুপরিচিত একজন নেতা। মানুষের সেবা করাই জীবনের লক্ষ্য ও একমাত্র আশা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার এর। সারা জীবন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আর্দশ নিয়ে রাজনীতি করেছেন তিনি। সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে রাজনীতিতে সার্বিক উন্নয়নে সব সময় যুবকদের পাশে থাকার ইচ্ছা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম এর। তিনি ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবা করার চেষ্টা করে আসছেন। জীবনের বাকি সময়েও মানুষের সেবা করেই থাকতে চাই। গাজীপুর -৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ এমপির একজন সৎ সাহসীকতার রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে সকলের কাছেই সুপরিচিত জহিরুল ইসলাম সরকারের। গরীবের বন্ধু ও সমাজ সেবক, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের প্রতি আন্তরিকতার সাথে কাজ করে চলছেন। তাই সকলেই ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে আপনজন হিসাবে চিনেন ও জানেন এই জনদরদী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকারকে।

তিনি রাজনীতি করেন মানুষের জন্য। যেমন বৈশ্বিক করোনা মহামারির প্রাক্কালে সরকারের সহযোগিতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের পাশে। গাজীপুরের -৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ইকবাল হোসেন সবুজ এমপির নেতৃত্বে হতদরিদ্র পরিবারের পাশে ছিলেন তিনি। মানবতার ফেরিওয়ালা এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ এর একজন সৎ সাহসীকতার কর্মী হিসেবে পর্যাপ্ত খাদ্য সহযোগিতা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল তিনি। মানবকিতাবোধ সকলের প্রসংশা কুড়িয়েছে তিনি। করোনা মহামারির শুরু থেকে অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে খাদ্য সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার দৈনিক বাংলাদেশের আলোকে বলেন, আমি মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে সর্বোচ্চ রাজনীতি বলে মনে করছি। আমি মনে করি আমার প্রিয় নেতা ইকবাল হোসেন সবুজ এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। করোনাভাইরাসের কারণে বরমী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছিল হাজার হাজার মানুষ। বিশেষ করে খেটে খাওয়া নিন্ম আয়ের লোকজন সবচে বেশি ভোগান্তিতে ছিলো । যারা দিন এনে দিন খেতেন এমন মানুষজন খাদ্য সংকটে পড়েছিল বেশিরভাগ।পরে এই করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল তিনি।তার কর্মীদের দিয়ে এসব খেটে খাওয়া মানুষের ঘরের দরজায় পৌঁছে দেন খাদ্য সহায়তা। তারা প্রথমে এলাকার অভাবি লোকদের চিহ্নিত করেন। পরে রাতের আঁধারে ও খুব ভোরে মানুষজন ঘুম থেকে জেগে ওঠার আগেই ওইসব নিন্ম আয়ের লোকদের দরজার সামনে পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্য সামগ্রী।তাই সকল প্রকার জনসমাগম ও ভিড় এড়িয়ে তিনি নিজে ও কর্মীরা রাত পোহানোর আগেই খুব ভোরে কর্মহীন, অসহায় ও নিন্ম আয়ের লোকদের ঘরের দরজার সামনে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।

জহিরুল ইসলাম সরকার মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে এখন পরিচিত।সেই ধারাবাহিকতায় করোনা যুদ্ধেও এখন সক্রিয় অবস্থানে তিনি।খাদ্য সংকটে থাকা এসব মানুষের পাশে আশার আলো হয়ে দাঁড়াচ্ছে তিনি। করোনা প্রাদুর্ভাবের পর থেকেই জরুরি বৈঠক করে মানুষের পাশে দাঁড়োনোর জন্য সিদ্ধান্ত নেয় তিনি। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে আলো ছড়াচ্ছে জহিরুল ইসলাম সরকার। নিজ উদ্যোগে খেটে খাওয়া মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তুলে দিয়েছিলো খাবার। আর তাদের সচেতনতায় দিচ্ছেন মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান।এবিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার বাংলাদেশের আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ও এমপি ইকবাল হোসেন সবুজের নেতৃত্বে আমার অবস্থান থেকে কাজ করে ছিলাম মানুষের জন্য। ব্যক্তিগত উদ্যোগে সে প্রায় ৫ হাজার পরিবারের কাছে খাদ্য পৌঁছে দিয়েছিল বলে জানা গেছে। তার খাদ্যতালিকায় ছিল চাল, ডাল, আলু, তেল, পেঁয়াজ, লবণ, কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি। নেতাকর্মীরা বলছেন,আমাদের প্রিয় নেতার এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগগুলোতে ভালো থাকছেন হাজারো পরিবার। তার অনুপ্রেরণা পেয়ে অনেকেই এখন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে চিনেন তাকে।অনাহারে-অর্ধাহারে থাকা মানুষগুলো তার উপহার এখনো পাচ্ছেন।যেখানে থাকছে করোনা সুরক্ষার মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ খাদ্যসামগ্রী।আর এখন চারদিকে আলোচনায় এসেছে তাঁর নাম। তার নেতৃত্বে ছুটে চলছে মানবিক সহায়তা।একেবারে তৃণমূলে সার্বিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি জানালেন,সাধারণ মানুষ তার আপনজন।বিশেষ করে সমাজের ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সকল জনগণের সাথে রয়েছে তার খুব ভাল যোগাযোগ। এবং দলের দুঃসময়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে জানা গেছে।তার রাজনৈতিক যোগ্যতার পরিচয় ও দক্ষতার তৃণমূলের একজন কর্মী থেকেই আজকে বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে যোগ্য। সততার সঙ্গে রাজনীতি করে আসছে তিনি।দলের ত্যাগী নেতা হিসেবে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চায় জনগণ।

জানা গেছে, আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক দলের জন্য সে সর্বোচ্চ ত্যাগ করতেও প্রস্তুত।জানা গেছে, দলের দুঃসময়ের একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল পালন করছিলেন তিনি ।তিনি দলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে শিখেছেন।পারিবারিক ভাবে যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করেন ও নিজেকে সেই হিসেবে গড়ে তুলতে পারে, তাদেরকেই পছন্দ করেন তিনি।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও নেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতির আদর্শ ধরে রাখবে বলে জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।জানা গেছে, মানুষের প্রিয় নেতা এর দলীয় নেতা-কর্মীদের দ্বারা কোন মানুষের কোনো ক্ষতি হয়নি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার এর দ্বারা ।

সে নিজেকে সব সময় সধারণ মানুষেরই একজন মনে করে।তার নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের সব ধরনের সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত সৈনিক। এবং তরুণ প্রজন্মের বাতিঘর। তিনি বরমী ইউনিয়নের জনগণের গৌরব। তিনি নৈতিক গুণসম্পন্ন দক্ষ সাংগঠনিক শক্তির অধিকারী, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন মানবিক নেতা ও নিবেদিত প্রাণ। তিনি তাঁর রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা, প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারণকারী, সৃষ্টিশীল কাজে উদ্যোগী, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন, এবং সামাজিক ন্যায়পরায়ন ব্যক্তি হিসেবে আজকের এই সময়ে একজন যোগ্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর উদাহরণ।তাঁর নেতৃত্বদানের ক্ষমতা, নেতৃত্বের গুনাবলী, সৎচ্চরিত্রাবলী এবং রাজনৈতিক জীবনের বিশাল কর্মযজ্ঞই প্রমাণিত করে তিনি রাজনৈতিক মাঠের একজন কর্মদক্ষ নেতা। সে ছাত্রাবস্থা থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের আদর্শকে লালন করে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়েছেন। তিনি জামাত-বিএপির জুলুম অত্যাচারকে সহ্য করেও এখনো পর্যন্ত বরমী ইউনিয়নের সকল নেতাকর্মীদের একত্রিত রাখতে পেরেছেন।তাঁর নৈতিক গুনাবলী অসাধারণ।

তাঁর এই নৈতিক গুনাবলীর জন্যই আজকের রাজনীতির মাঠে তিনি একজন জননন্দিত, জনপ্রিয় নেতা হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত। তাঁর এই জনপ্রিয়তা থাকার পরও তিনি কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার করেনি, অহংকার করেননি।অনেকজনের সঙ্গে আলাপকালে তারা বলেন, এমন একজন নেতার কর্মী হতে পেরে আমাদের অহংকার হয়, আমরা গর্ব করি।উনার আরও বলেন, তার নিকট যেকোনো সাধারণ নাগরিক যেকোন ধরনের সহযোগীতার জন্য তাঁর নিকট স্মরনাপন্ন হলে তিনি তাদেরকে শূন্য ফিরিয়ে দেননি। তিনি করে দেন তাঁর সহযোগিতা।একজন মানবিক ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক নেতা হিসেবে পরিচিত।তিনি তরুণ প্রজন্মকে গুরুত্ব দিয়েছেন।তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো দলএবং দলের নেতাকর্মীর সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ করেননি। তাঁর দলের প্রতিটি সদস্যকে নিজের পরিবারের মতো করেন।

তিনি বরমী ইউনিয়নের এ প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্তে আওয়ামীলীগের মিছিল মিটিং এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানসহ উন্নয়ন কর্মকান্ডে এবং আওয়ামীলীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্চাসেবকলীগকে সুসংগঠিত করতে সারাদিই ছুটে বেড়ান। রাজনীতিতে তাঁর এই কর্মদক্ষতার নেতৃত্ব এই সমাজের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।সে একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সবার জন্য তাঁর দরজা সব সময় উন্মুক্ত।তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে এবং আওয়ামীলীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশনকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি একটি শক্তিশালী সংগঠন প্রতিষ্টায় বিশ্বাসী। তাঁর হৃদয়ে বাংলাদেশ, চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ, আদর্শে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী।এবং তিনি সরকারের পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকায় মানুষকে সাধ্যমত সহায়তা প্রদানের জন্য স্থানীয় বিত্তশালীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি, তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এবং প্রতিটি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের জয়লাভের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিলেন।

তারুণ্যের প্রতীক এ ব্যক্তি তাঁর বয়স ও অভিজ্ঞতা দুটিকেই হার মানিয়েছেন। তাঁর কর্মকান্ডে মনে হয় তিনি এক মহান মানুষ। তার অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেক। এসকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা।তিনি তার উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে।তার দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে সকলের কাছে নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তার সাথে দলের ভাবমূর্তির উন্নয়ন হয়েছে।তার ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ।তাঁর মাঝে কোন অহংকার নেই।

নিরহংকারী এই মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়। সর্বোপরি কাজ করছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য।এই সফল মানুষটি দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যান।তিনি একজন সাদা মনের উদার মানসিকতার ও দানশীল মানুষ হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন।তিনি সকল শ্রেণির মানুষের নেতা। মানুষের পাশে সবমসময় ছিল এবং থাকবেন তিনি।তিনি বলেন, আমাদের নেত্রীর নির্দেশ গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থাকতে হবে।
আদর্শ আশা বুকে আগলে রাখবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নীতিমালা অনুসরণ করে তিনি সকল আদর্শ মেনে চলছে সকলের মাঝে ভালোবাসা নিয়ে।তাই সে যেন বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হন এই দাবী জানিয়েছেন নতুন প্রজন্মের নেতা-কর্মি ও সাধারণ জনগণ।নিজের পায় হেঁটে মেধা শ্রম খাঠিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বরমী ইউনিয়নের স্বার্থে, সমাজে আদর্শ নীতিমালা মেনে চলেন তিনি।একাধিক ভাবে নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন জহিরুল ইসলাম ভাই এর আদর্শ নীতিমালা মায়া মমতা ভালবাসা পেয়ে অন্ধ ভক্ত হয়ে পড়েছেন সবাই।

তরুণদের উদ্যোগে এ দেশ এগিয়ে চলবে আদর্শ নীতিমালা, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কে অনুসরণ করে।এদিকে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ,শ্রমিকলীগ,কৃষকলীগ ও সহযোগী সংগঠনের একাধীক নেতা-কর্মি যানান এখানে কোন স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি পরিবারের সদস্যরা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে পারবে না। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তৃণমূল সংগঠিত করে তৃনমুল দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে নিজেকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও সুনাম অর্জন করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী,জেলহত্যা দিবস সহ প্রতিটি জাতীয় আওয়ামীলীগের প্রতিটি প্রোগ্রামকে জেলার সবচাইতে বড় প্রোগ্রাম এবং জনসাগম ঘটিয়ে বারবার প্রমাণিত করেছেন বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে জহিরুল ইসলাম সরকারই যোগ্য। সাংগঠনকে শক্তিশালী করে তৃনমূল নেতাকর্মীদের মূল্যয়নের ইতিহাস রচনা করেছেন ।

দলীয় নেতা-কর্মীদের আস্থা অর্জন করে সবার মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। কারো দুরারোগ্য ব্যাধি কিংবা কোনো অসহায় ব্যক্তির সন্তান স্কুলে ভর্তি হতে পারছেন না । এমন ‘দুঃখী খবর’ শুনতে দেরি, ছুটতে দেরি নেই তার ।সবসময় অসহায় মানুষের সহায় আছেন বলেই বরমী ইউনিয়নের সকল পর্যায়ের মানুষের কাছ থেকে উপাধি পেয়েছেন ‘গরিবের বন্ধু’। নিজের পরিবারের প্রতি খুব একটা নজর নেই তাঁর। সকাল-সন্ধ্যা কেবলই ছুটে বেড়ান মানুষের কল্যাণে।খুঁজে ফিরেন অসহায় মানুষকে। গরীবদের চিকিৎসাসহ অসহায় মানুষের পাশে সব সময় দাঁড়ান। তাঁর আয়ের বেশির ভাগ টাকা তিনি মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন ।

পাশাপাশি রাজনৈতিক তথা দলের প্রত্যেকটি প্রোগ্রামে যুক্ত আছেন তিনি।সাধারণ মানুষের মধ্যে তার আকাশচুম্বি যে জনপ্রিয়তা রয়েছে বলেই তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ। প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি থেকেছেন সামনের সারিতে। দিয়েছেন সফল নেতৃত্ব।দল ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ। জনবান্ধব এবং পরীক্ষিত ও লড়াকু সৈনিক। প্রচলিত রাজনৈতিক ধারায় থাকলেও লোভ লালসার গা ভাসাননি তিনি। তৃণমুল নেতাকর্মীদের সঙ্গে থেকে এখনও সাধারণ মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তিনি।তিনি দলীয় কর্মসূচী সফলভাবে পালনে একধাপ এগিয়ে। বিগত সালে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতাল ও অবরোধ ঠেকাতে মাঠে রেখেছেন অগ্রণী ভূমিকা। শুধু এখানেই তিনি ক্ষান্ত নন, গরীব-দুঃখী ও অসহায়দের পাশে আছেন।ইতিমধ্যে তিনি জনসেবার মাধ্যমে জয় করেছেন সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা। এজন্যই তাকে জনগণ চায় চেয়ারম্যান হিসাবে।

স্থানীয় নেতা- কর্মীরা বলেন, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকারকে আমরা বিপদে-আপদে সবসময় কাছে পাই।যার ফলে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জণে সক্ষম হয়েছেন। জনপ্রিয়তা, দলের প্রতি আস্থা, কর্মী বান্ধব নেতা ও সমাজ সেবক হিসেবে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই তিনি রাজনীতি শুরু করেছেন।তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী।তার এমন কিছু বিশেষ গুণাগুণ রয়েছে অন্যদের থেকে দলের নেতাকর্মীদের কাছে অনেক প্রিয় জহিরুল ইসলাম সরকার।তার রাজনীতি বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে , নিজ কর্মদক্ষতার বলেই স্থানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তিনি।মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমাজ গড়ার লক্ষ্যে যার রাজনীতি।এনিয়ে নানা রকমের স্ট্যাটাস ফেসবুকে নেতাকর্মীদের।নেতাকর্মীরা বলেন, দুর্দিনে দলের পাশে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছে এই নেতা। স্বচ্ছাধারার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার জন্য বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়া উচিৎ। নেতাকর্মীরা জানান, তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকেন। বিশেষ করে তরুণরা তাকে খুব ভালবাসে, একজন সৎ মানুষ হিসেবে তার কাছে ছোট বড় কোনো ভেদাভেদ নেই।আর এ কারণেই বড়, ছোট, ধনী দরিদ্র সবাই তাকে বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দেখতে চায়।

এ ব্যাপারে একাধিক শীর্ষ নেতারা জানান, দলের জন্য নিবেদিত কর্মী যারা, দলের দুর্দিনে নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজে অর্থ ও শ্রম ব্যয় করেছে তাদেকে এবার মূল্যায়ন করা হবে।
বিশেষ করে তরুণরা তাকে খুব ভালবাসে, একজন সৎ মানুষ হিসেবে তার কাছে ছোট বড় কোনো ভেদাভেদ নেই।তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড এবং দলের জন্য তার ত্যাগের কারণে এবার চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ।তার সমর্থকরা বলেছেন, বিচক্ষণ রাজনীতির সংকটময় মুহূর্তে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর।সততা ও ত্যাগের মহিমায় রাজনীতিসহ কর্মক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তনে তিনি থাকেন সোচ্চার।

তিনি যুবসমাজের অহংকার। খোঁজ নিয়ে জানা গেছ, এলাকাবাসির অভিমত দলের প্রয়োজনে আমজনতার আকাংখার কথা মাথায় রেখে সকলকেই সাধ্যমত সহযোগিতা করে যাচ্ছে তিনি।গাজীপুরের -৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ইকবাল হোসেন সবুজের রাজনীতিতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এক মাএ সৎ ও যোগ্য প্রার্থী।তিনি তার একনিষ্ঠ রাজনৈতিক দক্ষতার জন্যই সবার কাছে আজ এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তার এই জনপ্রিয়তা এবং জনগণের ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের জন্য উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।তিনি দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।তার এই একনিষ্ঠ রাজনৈতিক দক্ষতার জন্যই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ।
তার রাজনৈতিক জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে একজন স্বচ্ছ রাজনৈতিক জীবন গড়ে তোলা।রাজনৈতিক অংঙ্গনে যার রয়েছে ক্লিন ইমেজ সেই সাথে ব্যাপার জনপ্রিয়তা।

একজন সফল রাজনীতিবিদ এবং সমাজসেবক কাজেই যার রাজনীতি।যে নীতি বা আদর্শ অনুসরণ করে রাজনীতি তাকেই বল হয় যোগ্য ব্যক্তি।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এলাকাবাসির অভিমত দলের প্রয়োজনে, আমজনতার আকাংখার কথা মাথায় রেখে সকলকেই সাধ্যমত সহযোগিতার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে সকলেই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন।

গাজীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি’র মহোদয়ের অত্যন্ত বিশ্বাস যোগ্য একজন কর্মী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রামী নেতা বাংলাদেশের রুপকার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের নীতি ও আর্দশে উজ্জীবিত হয়ে পারিবারিক আ’লীগ পরিবারের সন্তান হিসাবে মুক্তচিন্তার আলোকে বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে লালিত করেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার।তিনি আওয়ামীলীগ পরিবারের একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে রাজপথে লড়াই করেছন স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে।এছাড়া বিভিন্ন মিছিল মিটিংসহ আওমীলীগের সকল দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন। সর্বদা নিজেকে জনগণের সেবক হিসেবে নিয়োজিত রেখেছেন।

এলাকার সাধারণ ও মেহনতি মানুষ তাদের সকল সুখে দুঃখে তাকে আশ্রয়স্থল মনে করে। সর্বদা রাজনীতি নিয়ে ব্যস্থ থাকার কারণে তৃণমূল মানুষের কাছে তিনি ইতিমধ্যে ২৪ ঘন্টার রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।গাজীপুরের তিন আসনের মানবিক এমপির নির্দেশই হচ্ছে তার রাজনীতিক পথচলার প্রধান শক্তি। যে কারণে এলাকাবাসীর কাছে তিনি শতভাগ আশ্বাভাজন একজন মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন।

এজন্যই তার প্রতি থাকা ভালবাসার টানেই এলাকার যেকোন কঠিন সমস্যার সঠিক সমাধানের জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন ছুটে যান তার কাছে। সেখানে গেলে তৃণমূলের মানুষজন নিজেদের বিশ্বাসের সঠিক মূল্যায়নও পাই। মেহনতী মানুষকেই স্বরণে রাখেন মানুষ। সমাজের মেহেদী মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সবসময় কাজ করেছে মানুষের জন্য। বর্তমানেও করছে এবং অনাগত দিনগুলোতেও কাজ করবে। আর সেই মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্য চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ । মানুষ বলছেন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার।

মানুষের জন্যই মানুষ, মানুষ মানেই মানবতা।মানবতার বাজারে মানুষের জন্য যে মানুষেরা ছুটে বেড়ায়, তারাই মানবতা৷ যাদের মানবতায় মানব সমাজে ফুটে উঠে মানবিক পরিচয়।অসহায় বিপদগ্রস্থ মানুষের সেবা করাই যাদের ধর্ম তাদের মর্যাদা মানুষেরাই দিয়েছে যুগ যুগ ধরে৷যার মন মানুষের জন্য কাঁদে তাকে ঘীরেই বেঁচে থাকে অসংখ্য মানুষ। কারন তার ভালোবাসায় আশার আলো জ্বলতে থাকে যা অসংখ্য মানুষের মনকে উচ্ছ্বাসিত করে রাখে। আশাবাদী মানুষের বিশ্বস্ত সে মানুষ হলেন একজন মহৎ, উদার আর বড় মনের মানুষ। যার কাজই হলো পরোপকার করা। যার রাজনীতিই মানুষের জন্য,তার হৃদয়টাও মানুষের ভালোবাসায় পরিপূর্ণ৷ মানুষের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে মানবিক একজন একজন সফল নেতাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। এবিষয়ে তিনি বলেন, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে অসহায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবা করে যাচ্ছি। এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে জনগণের মাঝে আলোচনা করে যাচ্ছছেন তিনি।

বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে জহিরুল ইসলাম সরকার-কে চায় সাধারণ জনগণ। বরমী ইউনিয়নের জনগণ চান নিরীহ, সৎ ও যোগ্য একজন নেতা এবার বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোক। কারণ যে-ই নেতাকে সবসময় জনগণের বিপদে আপদে চলে আসেন তাকেই এবার চেয়ারম্যান হিসেবে চায় জনগণ।
এবিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার বলেন,আমি সারাজীবন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ লালন করে রাজনীতি করে আসছি।বরমী ইউনিয়নের জনগণের যদি আমাকে চেয়ারম্যান হওয়ার সুযোগ করে দেয় তাহলে ইউনিয়নকে মডেল হিসাবে গড়ে তুলবো।
ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীদের সাথে আলাপকালে উনারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের একটাই দাবি জহিরুল ইসলাম-কে নৌকার মনোনয়ন দিয়ে বরমী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সুযোগ দেয়া হোক।

তিনি দীর্ঘদিন বরমী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে আগাম নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।গাজীপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি’র মহোদয়ের অত্যন্ত বিশ্বাস যোগ্য একজন কর্মী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রামী নেতা বাংলাদেশের রুপকার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের নীতি ও আর্দশে উজ্জীবিত হয়ে পারিবারিক আ’লীগ পরিবারের সন্তান হিসাবে মুক্তচিন্তার আলোকে বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে লালিত করে বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছেন তিনি।

তিনি আওয়ামীলীগ পরিবারের একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে রাজপথে লড়াই করেছন স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে। এছাড়া বিভিন্ন মিছিল মিটিংসহ আওমীলীগের সকল দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন। সমাজসেবক, দানবীর, গরীবের বন্ধু, বরমী ইউনিয়নের মাটি ও মানুষের নেতা তিনি। বরমী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা জানিয়েছেন জহিরুল ইসলাম সরকার চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পেলে তাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবে। স্থানীয় জনগণ একটি কথাই বলে জহিরুল ইসলাম সরকার চেয়ারম্যান হলে উন্নয়নের জোয়ার বইবে বরমী ইউনিয়নে।

এবিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আমি মুজিব আদর্শে বিশ্বাসী। আমাদের মাননীয় এমপি ইকবাল হোসেন সবুজের প্রতিটি দলীয় আদেশ মেনে চলি, দলের জন্য কাজ করি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছি। তিনি আরও বলেন, আমাকে প্রধানমন্ত্রী দলে নৌকা প্রতীক দেবেন বলে আমি আশা করি এবং বিশ্বাস করি। আমি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। আমাকে দল যদি নৌকা প্রতীক দেন আমি তার মর্যাদা ও দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করবো ইনশাহআল্লাহ। সমাজসেবক, দানবীর, গরীবের বন্ধু, মানুষের নেতা তিনি।

জনগণের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে বর্তমান সময়ে বিশিষ্ট সমাজ সেবক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম এর নেতৃত্বের বিকল্প নেই। গরীব দুঃখী মানুষের প্রাণের নেতা সততা ও যোগ্যতার বিচারে তিনিই যোগ্য প্রার্থী। দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের সাহসী মুজিব সৈনিক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুজিবকন্যা মানবতার ‘মা’ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও আদর্শ্যের আদর্শিত ব্যক্তিত্ব, যিনি একজন সাদা মনের মানুষ। সর্বস্তরের জনতার গর্ব ও অহংকার আশার-আকাঙ্খার প্রদীপ হয়েছেন। যিনি মেহনতী ও শ্রমজীবি খেটে খাওয়া সাধারণ নিরীহ মানুষের সুখ-দুঃখের সর্বসময়ের সাথী।

এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। দলীয় নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছেন। এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে থাকেন তিনি।তিনি বলেন, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অধিকাংশ মানুষ যা চায় সেই পরিপ্রেক্ষিতে উন্নয়ন করব। যিনি কলেজ জীবন থেকে ছাত্রলীগ,যুবলীগ নেতৃত্বের মাধ্যমে দলের একজন তরুন রাজনীতিবীদ হিসাবে যুক্ত হয়ে আওয়ামিলীগ একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছেন।

তিনি মানুষকে সরাসরি উপকার করতে ভালবাসেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলনের সময় রাজপথে দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের সংগঠিত করে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। কর্মীরা জানান, আমাদের প্রিয় মানুষ টির জন্য আমরা সব সময় দোয়া করি এবং বিশ্বাস করি তাঁর হাত ধরেই বরমী ইউনিয়নের জনগণের উন্নয়ন হবে।জানা গেছে, তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্র রাজনীতি শুরু করছেন ছাত্রজীবন থেকে।তিনি নব্বইয়ের এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে আসেন এবং ১৯৯৫সাল থেকে ৯৮ পর্যন্ত বরমী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও শ্রীপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর ছাত্র সংসদ সদস্য ছিলেন।বর্তমানে তিনি বরমী বাজার বণিক সমিতি এবং বরমী ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করছেন।
এমপি মহোদয়ের নির্দেশে বরমী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন,আওয়ামীলীগকে শক্তিশালী করার জন্য নিয়মিত উঠান বৈঠক করে যাচ্ছেন,নির্বাচনে প্রিয় নেতার আশীর্বাদ পেলে দলীয় মনোনয়ন লাভে সক্ষম হলে ৬ নং বরমী ইউনিয়নকে শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিভিন্ন উন্নয়ন স্থানে নিয়ে যাবেন।এবং মাদক মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত, জুয়া এবং দারিদ্র্য মুক্ত ডিজিটাল ইউনিয়ন উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন,আমি বিশ্বাস করি এবার ৬নং বরমী ইউনিয়নের জনগন আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।চায়ের দোকান,পাড়া মহল্লা,মাঠঘাট,হাটবাজার সর্বত্র সাধারণ মানুষের মাঝে চলছে সরগরম আলোচনা।আসন্ন বরমী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী।তিনি মনে করেন,রাজনীতিতে ভিন্ন মতাদর্শ থাকতে পারে কিন্তু উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমার মূল উদ্দেশ্য জনগনের সেবা করা।এমন লক্ষ্যকে সামনে রেখেই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার তিনি বরমী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার লোকজনদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে আসছেন।

স্থানীয় লোকজন এমন একজন জনবান্ধব নেতাকেই ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।কয়েকজন তরুণ ভোটার জানান, জহিরুল ইসলাম সরকার একজন জনবান্ধব ব্যক্তি।তিনি বলেন, আমি চেয়ারম্যান হলে ইউনিয়নের রাস্তা ঘাট উন্নয়ন,মাদক মুক্ত,সামাজিক উন্নয়ন সহ অবহেলিত মানুষের পাশে সবসময় থাকবো। স্থানীয় এলাকাবাসী অনেকেই বলেন,অত্যন্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হিসেবে জহিরুল ইসলাম সরকারকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।সাধারণ মানুষের মধ্যে তার যে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাতে তাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে তার বিজয়ী হওয়া সুনিশ্চিত বলে মনে করেন বরমী ইউনিয়নের জনগণ। আসন্ন বরমী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও সম্ভাব্য প্রার্থী হচ্ছেন আ.লীগের নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জহিরুল ইসলাম সরকার।

তাছাড়া ইউনিয়নের জনসাধারণেরা বলছে প্রিয় নেতা ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক জহিরুল ইসলাম সরকার চেয়ারম্যান হিসাবে দরকার বরমী ইউনিয়ন পরিষদে। আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা ও জনগণের সেবক হিসেবে পুরো ইউনিয়ন ব্যাপী ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়ে জনগণের আস্থাভাজন ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে বরমী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ অভিমত ব্যক্ত করেন। তাই তাঁরা আগামী আসন্ন বরমী ইউপি নির্বাচনে যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকারকে ভোট দিয়ে জয়ী করবেন। প্রচার প্রচারনায় ও আলাপ আলোচনায় ও জনপ্রিয়তায় সবার চেয়ে এগিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহিরুল ইসলাম সরকার । মাটিও মানুষের নেতা নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক,বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কারিগর, এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলা রোল মডেলে এগিয়ে যাচ্ছে আজ বাংলাদেশ, তেমনি মাটি ও মানুষের নেতা উন্নয়নের চেষ্টায় করে যাচ্ছেন তিনি।

জনবান্ধন, স্বচ্ছ, দূনীতিমুক্ত,আধুনিক ও উন্নত বরমী ইউনিয়ন নিমার্নের স্বপ্ন দেখেন তিনি, তাই সুখে দুঃখে পাশে থাকার জন্য এবং সব সময় মানুষের পাশে থাকেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আপনজন প্রিয় ব্যক্তি। ব্যক্তিগত তিনি একজন সমাজ সেবক। বরমী ইউনিয়নের জনগণ তাকে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায়, তিনি ব্যক্তি হিসেবে জনপ্রিয়, সর্বসময় মানুষের পাশে থাকেন। সব শ্রেণির মানুষের সাথে সু-আচরন করেন, সরেজমিনে দেখা যায় বিভিন্ন পেশার মানুষেরা মুখে মুখে বলে বেড়াচ্ছেন তিনিই একমাত্র যোগ্য প্রার্থী।

তাকে ছাড়া আর কাউকে মানাবেনা, প্রচার প্রচারণা ও আলাপ আলোচনা ও জনপ্রিয়তায় সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বরমী ইউনিয়ন বাসীর একটাই দাবি তাকে এবারের ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। বিশেষ করে জহিরুল ইসলাম সরকার চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে সাড়া ফেলেছে ব্যাপক ভাবে।

দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় প্রার্থীদের দল থেকে মনোনয়ন নেয়ার জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য তৎপরতা শুরু করেছেন। এলাকাবাসির মতে, দলমত নির্বিশেষে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জহিরুল ইসলামকপ। দল ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ।

জনবান্ধব এবং পরীক্ষিত ও লড়াকু সৈনিক। প্রচলিত রাজনৈতিক ধারায় থাকলেও লোভ লালসার স্রোতে গা ভাসাননি তিনি। তৃণমুল নেতাকর্মিদের সঙ্গে থেকে এখনও সাধারণ মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন তিনি। বরমী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে কে কে প্রার্থী হতে চান তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। ইতোমধ্যেই অনেকেই দলীয় মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি জানান দিচ্ছেন।আসন্ন বরমী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ থেকে নাম শোনা যাচ্ছে জহিরুল ইসলাম এর।

জহিরুল ইসলাম সরকার জানান, দলীয় মনোনয়ন না পেলে সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিব দলীয় নেতাকর্মী ও জনগণের ওপর। তারা যদি আমাকে প্রার্থী হিসাবে চান তখন সিদ্ধান্ত নিব। আমার রাজনীতি মুলত জনগণকে নিয়ে, আসন্ন বরমী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাই। আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দিবেন। আমি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করতে চাই। আওয়ামিলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ন্যায়পরায়ন এবংবিভিন্ন এলাকার হাটে, বাজারে, পাড়া মহল্লা চায়ের দোকান সহ বিভিন্ন জায়গায় পথসভা ও জনসংযোগ করছেন তিনি। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দোয়া চেয়েছেন। এছাড়া ও দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সহ বাড়ি বাড়ি ঘুরে ওঠান বৈঠক করতে দীর্ঘপথ ছুটে বেড়াচ্ছেন জহিরুল ইসলাম সরকার। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যন পদের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে বেড়াচ্ছেন আ’ লীগের এই নেতা। ৬নং বরমী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী নৌকার মাঝি হতে চান তিনি।

বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনি দলীয় প্রতিক নৌকা প্রত্যাশা করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অংশীদার হতে নৌকা প্রতিক নিয়ে চেয়্যারম্যন নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত বরমী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রুপান্তরের করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এলাকাবাসির চাওয়া থেকেই তার নির্বাচন করার প্রত্যাশা বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতি থেকে এখনো পর্যন্ত আ’লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় আছি। আমাকে যদি আওয়ামিলীগ থেকে নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ দেয় তাহলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে জনগনকে সাথে নিয়ে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করবো।

তার সমর্থকরা বলেন, তিনি দলমতের উর্দ্ধে উঠে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বিপদে আপদে দলীয় নেতাকর্মিদের পাশে দাড়ানো ছাড়াও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। ইতোমধ্যে জহিরুল ইসলাম সরকার আ’লীগের সিনিয়র নেতাদের নিকট দোয়া নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনায় নেমেছেন।তিনি বলেন, তৃনমুলকে মূল্যায়ন, তৃনমুলের উন্নয়ন ও সংগঠন শক্তিশালি,এলাকার উন্নয়নে তরুন যুবকদের নিয়ে কাজ করছি। আমি একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আসন্ন বরমী ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার মনোনয়নের আশবাদি এবং দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে ইনসাআল্লাহ।জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু।