জিয়াদুল হক, কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ কাউখালী-পাঙ্গাসিয়া উপজেলার এই প্রধান সড়কটি দীর্ঘধরে সংস্কারের অভাবে যানচলাচলে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যদিও এলাকাবাসীর বার বার আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্র্তৃপক্ষের টনক নড়লেও কাউখালী উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশীষ কুমার মাঠ পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ না করে অফিসে বসে সংস্কারের প্রাক্কলন তৈরি করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট রাস্তাটির সার-সংক্ষেপ প্রেরণ করেন। সেখানে সরোজমিন রাস্তায় যে পরিমাণ কার্পেটিং এর ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তার ধারে কাছেও ছিল না প্রাক্কলন তৈরিতে।

সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার কার্পেটিং উঠে খোয়া বের হয়ে বিভিন্ন স্থানের গর্তের তৈরি হয়েছে। রাস্তাটি খালের পার দিয়ে অবস্থিত বিধায় পাইলিং এর অভাবে আংশিক রাস্তা খালের গর্তে ভেঙ্গে গেছে। মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত কালভার্ট না থাকায় মাঠের পানি বের হতে গিয়ে রাস্তার মাঝে মাঝে চালা ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই সব কারনে রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্বেও যান চলাচল ও জেলা সদরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র প্রধান সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পেেড়ছে। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওয়ার্ক অর্ডার দেয়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ক অর্ডার পাওয়ার পর সরোজমিনে রাস্তার সংস্কার যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন তার সাথে রাস্তার প্রাক্কলনের সাথে আংশিক মিল না থাকার অভিযোগ করেন। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি পিরোজপুর নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট অভিযোগ করলে নির্বাহী প্রকৌশীর দপ্তর সরোজমিন পরিদর্শনে এসে সত্যতা খুঁজে পায়। পরবর্তী সময় নতুন করে আবার প্রাক্কলন তৈরি করে বরাদ্দের জন্য ঢাকা এলজিইডি অধিদপ্তরে প্রেরণ করেন। যার কারনে বছরের পর বছর ধরে এলাকার মানুষ যোগাযোগে চরম দুরাবস্থার মধ্যে কাটাচ্ছে। প্রাক্কলন তৈরিকারী উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশীষ কুমারকে এই ভুলের কারনে তাকে অন্যত্র বদলী করা হয়েছে।