রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি ঃ কলাপাড়ায় করোনা সংক্রামক পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় নি¤œ আয়ের সাড়ে ১২ হাজার পরিবার ২৫’শত টাকা হারে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে । যা ১৪ মে সকাল ১০:৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিব বর্ষে মোবাইল ব্যাংকিং পরিসেবা’র মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সিংএ সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করবেন। এলক্ষে সুবিধাভোগী পরিবার গুলোর সংশোধিত তালিকা আগামী ১৩ মে’র মধ্যে শতভাগ যাচাই বাছাই করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রনালয়ে প্রেরন করতে হবে। সোমবার উপজেলা প্রশাসন ইউএনও কনফারেন্স রুমে ইউপি চেয়ারম্যান, মেয়র, দুর্যোগ ও ত্রান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে এক জরুরী সভায় মিলিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কলাপাড়া ইউএনও।

দুর্যোগ ও ত্রান বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর মানবিক আর্থিক সহায়তার সুবিধাভোগী পরিবারের তালিকা তৈরীতে নির্দেশাবলী বর্ননা করা হয় এ জরুরী সভায়। নামের সাথে তার এনআইডি নম্বর ১০ ডিজিট অথবা ১৭ ডিজিট হতে হবে। কারো এনআইডি ১৩ ডিজিট হলে তার পূর্বে জন্ম বছরের চারটি ডিজিট বসিয়ে দিতে হবে। জন্ম তারিখ আবশ্যিক ভাবে দিতে হবে তারিখ মাস বছরের ফরমেটে। যার নাম তার মোবাইল নম্বর অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। সুবিধাভোগীর মোবাইল নম্বর না থাকলে পরিবারের কারো মোবাইল নম্বর অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন কোড ব্যবহার করতে হবে।

সূত্রটি আরও জানায়, কলাপাড়ার ১২টি ইউনিয়নে ১১ হাজার, কলাপাড়া পৌরসভা ১ হাজার ও কুয়াকাটা পৌরসভার ৫শ’ সুবিধাভোগী পরিবার প্রাথমিক ভাবে বাছাই করা হবে। এসব সুবিধাভোগীদের নামের তালিকা তথ্য প্রযুক্তিতে সন্নিবেশ করতে কিছুটা প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে। যা যাচাই বাছাই করে প্রেরনের কাজ চলছে।

উপজেলা দুর্যোগ ও ত্রান কর্মকর্তা তপন কুমার ঘোষ বলেন, উপজেলায় দুস্থ পরিবারের খাদ্য সহায়তা দিতে এ পর্যন্ত ২৪৯ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ১০লক্ষ ৪২ হাজার ৫২০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা দিয়ে উপজেলার ২৪ হাজার ৯০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া দুস্থ পরিবারের শিশুদের জন্য শিশু খাদ্য হিসেবে ৪শ’ গ্রাম ওজনের ৮০০ প্যাক গুড়া দুধ এবং নগদ ৯৪ হাজার ৫৬০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা দিয়ে ৪০০ দুস্থ পরিবারের শিশুকে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

কলাপাড়া ইউএনও আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দোগে সাড়ে ১২ হাজার দুস্থ পরিবারকে মুজিব বর্ষে মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধার মাধ্যমে করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে সরাসরি নগদ অর্থ প্রেরন কার্যক্রম সফল ভাবে সম্পন্ন করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।