সজিব হাসান, নাটুদাহ থেকেঃ চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা গোচিয়ারপাড়ায় বিদ্যামান রয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্য, স্মৃতির পাতায় আলোড়ন সৃষ্টি করা এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেটিকে আমরা নাটুদাহ্ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে চিনি।

নদীয়া এস্টেটের শ্রী নফর চন্দ্র পাল চৌধরীর নিজ উদ্যগে গড়ে তুলেছিলেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটি তিনি বাগান ও লেক মিলে কয়েক শত বিঘার উপর প্রতিষ্ঠাতা করেন। তৎকালীন সময়ে স্কুলের বিল্ডিং নির্মানশৈলীটি প্রাচীন সময়ের শ্রেষ্ট আকর্ষণীয় ভাবে নির্মান করা হয়েছিল।যার দরজার সংখ্যা ছিল এক হাজার। পরবর্তীতে তার সহধর্মিনীর নামে নামকরণ করেন রাধা রানী ইনস্টিটিউট। যেটি ইতিহাসের পাতায় যুগ যুগ ধরে রয়ে গেছে। পরবর্তীতে স্কুলটিকে তিনি হাজার দুয়ারী স্কুল নামে ঘোষণা করেন। বহু ব্যবহারে বিল্ডিং দুর্বল হয়ে যাবার পর নতুন করে ভবন নির্মান করা হয় ১৯০৬ সালে। এবং নামকরন করা হয় নাটুদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। যেটিতে বর্তমানে কয়েক শত দরজা এবং সতেরটি রুম রয়েছে, এগুলোর মধ্যে দুইটা হল রুম, একটি সাইন্স ল্যাব, ও একটি বড় অফিস রুম। করোনার প্রভাব বিস্তার লাভ করার কারনে প্রতিষ্ঠানটি হারিয়ে ফেলেছিল তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য। স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝ থেকে শিক্ষার মনোভাব কিছুটা হলেও কমে গিয়েছিল। বর্তমানে স্কুলটি ফিরে পেয়েছে তার পূর্বের সুন্দর রুপ। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এলাকাবাসীর আহাজারির শেষ নাই, তার একটাই কারণ প্রাচীন ঐতিহ্য বহনকারী একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজ অবহেলিত অবস্থায়। তাদের একটাই দাবি, স্কুলটি সরকারীকরন করা হোক এবং সরকারি বাজেটের অর্থায়নে একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হোক।