আব্দুল্লাহ বাশার, কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে বকুল সিটি পার্কে নিয়ে ছদ্মনাম কুইন ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সাব্বির নামের এক ধর্ষককে আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার (৩ আগষ্ট) কোটচাঁদপুর উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের বকুল সিটি পার্কে। কোটচাঁদপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুশনা ইউনিয়নের তালসার গ্রামের মগবর মন্ডলের ছেলে সাব্বির হোসেনের সাথে ঝিনাইদহ সদরের মহামায়া গ্রামের দুখুমিয়ার মেয়ে ওই কিশোরীর ৩ মাস আগে মোবাইলের মাধ্যমে পরিচয় হয় এবং প্রেমের সম্পক গড়ে উঠে, এরই সূত্র ধরে (৩ আগস্ট) সাব্বির ওই কিশোরীকে কোটচাঁদপুরের বকুল সিটি পার্কে নিয়ে আসে। ধর্ষক সাব্বির তার গ্রামের পরিচিত ভ্যানচালক কাবিলের ভ্যানে করে দোড়া ইউনিয়নের পাঁচলিয়া গ্রামের বকুল সিটি পার্কে নিয়ে যায়। তারপর পার্কে বেড়ানো শেষে ভ্যানচালক কাবিল ও সাব্বির ওই কিশোরীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে সিটি পার্কের বাথরুমের পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাযানি হলে এলাকার লোকজন থানায় খবর দেই। থানা পুলিশ সাব্বির হোসেনকে বলুহর বাসষ্ট্যান্ড থেকে আটক করে। ভ্যানচালক ভ্যান রেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সাব্বির ও কাবিল উদ্দিনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোটচাঁদপুর থানার এস আই ইনারুল ইসলাম খবরের সত্যতা স্বীকার করে শুক্রবার বিকালে জানান, মেয়েটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে বলে ১৬৪ ও ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। মুঠো ফোনে বকুল সিটি পার্ক এর পরিচালক শামীম আরা হ্যাপির কাছে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক এই আমার দেশ কে জানান করোনাকালে পার্কটি সব সময় বন্ধ থাকে। ফলে কোনো যুবক যুবতীর পার্কে বেড়াতে আসার প্রশ্নই ওঠে না। তিনি বলেন পুলিশের কাছ থেকেই প্রথম খবরটি জানতে পেরেছি। সম্ভবত তারা লুকিয়ে পার্কের ভিতরে প্রবেশ করে এই অনৈতিক কাজ করেছে। এ ঘটনার সাথে পার্ক কর্তৃপক্ষ কোনো ভাবেই সংশ্লিষ্ট নয়। আমিও একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে চাই যারা এই ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।