তাজুল ইসলাম প্রধান, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) থেকেঃ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে হঠাৎ করে পৌরশহর-বন্দর, গ্রামগঞ্জ সর্বত্র জনজীবন মশার উপদ্রবে বিপর্যস্ত। মশার পরিমাণ এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে মনে হয় মানুষ মশার রাজ্যে ঢুকে পড়েছে তাই মশা তান্ডব চালাচ্ছে। মশার কয়েল-মশারি দিয়েও রোধ করা যাচ্ছেনা মশা। বাসা-বাড়ি, অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবখানেই মশার দাপট। এভাবে মশা বৃদ্ধিতে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্ক।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র মুকিতুর রহমান রাফি জানিয়েছেন, মাত্রই মেয়র হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি। আমি নিজেও পৌর শহরে বাস করি। মশার উপদ্রব সত্যিই বেড়েছে। ফগার মেশিন নষ্ট হয়ে থাকলে প্রয়োজনে কেনা হবে।আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই মশা নিধন সহ নাগরিক সুবিধা বাড়াতে সব ধরনের প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মশার কারণে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ২০১৯ সালে। সেই বছর এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর আক্রমণে ১৭৯ জন মানুষের মৃত্যু হয়। কিছু কিছু মানুষের ভাষ্যমতে, হয়তো সেই ২০১৯ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলছে। তবে এবার এডিস মশার প্রবণতা খুব বেশি দেখা যায় না। তবে কিউলেক্সসহ অন্যান্য মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।
মূলত ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত কিউলেক্স মশার প্রজনন মৌসুম। প্রত্যেক বছর এই সময়গুলোতে যে হারে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পায় এ বছর তার তুলনায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এসব মশার আক্রমণে ফাইলেরিয়াসিস, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া এসব রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ছে। এসব মশার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার কোমলমতি শিশু ও গর্ভবতী মহিলারা।এমন কি গবাদি পশু গরু-ছাগল নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন মানুষ।