সৈয়দ মিঠুন (ঘাটাইল) টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

সরিষা ফুল থেকে মধু আহরণে ব্যস্ত মৌচাষিরা মাঠে মাঠে এখন চলছে মধু সংগ্রহের কাজ। মাঠের পর মাঠ হলুদ রংয়ে ভরে গেছে শীতকালীন সোনার শস্য সরিষার ক্ষেত। ফুলে ফুলে ভরাক্ষেতে দৃষ্টিনন্দন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। এখন সরিষার ক্ষেত মধুতে ভরপুর। ফুলে ফুলে মধু আহরণে ব্যস্ত মৌমাছিরা। ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে মৌচাষিরা মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

মোহাম্মদ হাবিব জানান এবার তিনি ১২ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছেন। বিঘা প্রতি ৭ থেকে ৯ মণ সরিষা ঘরে তুলবেন বলে আশা প্রকাশ করেন । সরিষার ক্ষেতের পাশে কৃত্রিম উপায়ে চলছে মধু সংগ্রহের কাজ।

মৌখামারী কাজী খলিলুর রহমান বলেন, আমার বাড়ি কুলপদ্বি মাদারীপুরখ সদর থেকে এসেছি এবার টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলা খিলপাড়া থেকে বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে মধু আহরণ করছি সেই মধু বিক্রি করে লেভার এবং নিজের সংসার চালাতে হয়। তিনি বলেন প্রামানিক সরিষার ক্ষেতের পাশে ৯৮টি মৌ বাক্সের মাধ্যমে মধু সংগ্রহের কাজ করছে।

তার দেয়া তথ্যে জানা গেছে, প্রতিটি বাক্সতে মৌমাছিদের মৌরানী রাজা কর্মী থাকে। রানীর আওতায় অসংখ্য মৌমাছিরা চার কিলোমিটারের মধ্যে সরিষা ক্ষেতের ফুলে ফুলে ঘুরে মধু সংগ্রহ করে নিজ ঘর বাক্সের মধ্যে রানীর কাছে ফিরে আসে। মৌখামারীরা সেখান থেকে কৃত্রিম প্রক্রিয়ায় মধু সংগ্রহ করে থাকেন।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খামারী কাজী খলিলুর রহমান এ বছর প্রায় এক টন মধু সংগ্রহ করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। ঘাটাইল উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা তথ্য অনুযায়ী এবার উপজেলার৷

ঘাটাইলে ২৯শ একর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে৷ লক্ষ্যমাত্রা (২৩৫৫) (২৯৯০) হেক্টর সরিষার চাষ করা হয়েছে মৌবাক্সের মাধ্যমে সংগ্রহকৃত এ বছর উৎপাদিত মধুর পরিমাণ আরো বেশি হবে এতে করে মৌখামারী লাভবান হবে।