মোঃ উজ্জ্বল রানা, শহর প্রতিনিধি
সুমনের উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসী এবং আত্মীয়-স্বজন সাগর, মুকুল ও রোজিনার অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে এই মানববন্ধন করেন।
গতকাল বুধবার (১০ আগস্ট) সকাল ১১ ঘটিকার সময় চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসক এর গেটের সামনে মানববন্ধন করেন গ্রামবাসী আত্মীয়সজন। মানববন্ধন শেষ করে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক চত্বরে জেলা প্রশাসক প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য সকলেই উপস্থিত হন।
চুয়াডাঙ্গায় ভ্যান ভাড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত (৩১ জুলাই) রোববার সন্ধ্যা ৬.৪৫ ঘটিকার সময় এই ঘটনা ঘটে। মোঃ সুমন আলী (৩০) পিতা মোঃ মহর আলী (৫৮) ,চুয়াডাঙ্গা বুদ্ধিমান পাড়া,চুয়াডাঙ্গা। সুমন আালী একজন  ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি ইলেকট্রনিক কাজ শেষ করে বাসায় আসার সময় রাস্তার সামনে দেখতে পান ঝগড়া চলছিল।
সুমন তাদের কে বিরত থাকতে বললে সুমনের উপর চড়াও হয়। একই পাড়ার প্রতিবেশী  সাগর,মুকুল,মহাবুল, রোজিনা  তাকে চড়, কিল,ঘুষি,লাথি মারে ও এক পর্যায় সাগর সুমনকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে রক্তাক্ত জখম হয়। তাৎক্ষণিক চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন এবং চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে ভর্তি করেন।
সুমন আলীর বাবা দৈহিক এই আমার দেশ কে বলেন, আমার ছেলে সুমনকে চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রবিউলের বাড়ির সামনে পৌঁছালে সাগর আমার পুত্র সুমনকে হত্যার উদ্দেশ্যে ইট দ্বারা মাথা লক্ষ্য করিয়া আঘাত করেন। মাথা সরাইয়া লইলে ইটটি নাকে আর মুখের উপর পড়লে নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে।
তিনি আরো বলেন,  চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য (২আগস্ট) উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।আমার ছেলে বর্তমানে মুমুর্ষ অবস্থায় রয়েছে। আমি সাগর, মুকুল, রোজিনার সঠিক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি।
সুমনের মা তিনি দৈনিক এই আামার দেশ কে বলেন,  সন্ধ্যা সাতটার দিকে সাগর পুনরায় জোটবদ্ধ হইয়া ইট-পাটকেল মারিয়া আমার বসত বাড়ি জানালা ও জিনিসপত্র ভেঙ্গে অনুমান ৫০,০০০ হাজার  টাকা ক্ষতি করে চলে যাই। এবং বলে যাই  তোদেরকে কাউকে বাঁচতে দিবোনা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যাই।  ওদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের কাছে আহ্বান করেন।
প্রতিবেশী একজন দৈনিক এই আামার দেশ কে বলেন, সাগর সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে কারণে-অকারণে ঝগড়া ঝামেলা গালিগালাজ মারামারিতে লিপ্ত থাকে। তারা গোপনে মাদকের ব্যবসা করে আর সমাজকে নষ্ট করছে। তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপ আমরা অতিষ্ঠ। প্রতিবাদ করতে গেলে মামলা এবং খুন-জখমের হুমকি দেয়। আমরা সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে বিশেষভাবে আহবান করছি।