দামুড়হুদা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার কোটালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিসসহায়ক, আয়া এবং পরিচ্ছন্ন পদে অতিগোপনে মোটা অংকের অর্থবানিজ্যে করে তিনজনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষক গোপনে নিয়োগ বানিজ্য করায় কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে চাপাক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে নিয়োগের পর থেকে প্রধান শিক্ষক মাহাফুজুল হক মিন্টু নিজেকে আড়াল করে রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকাই বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের কোটালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির বিদ্যাৎসী সদস্য আজিজুল হাকিম, হাসান আলী, মহিলা বিষয়ক সদস্য রেসমিনা খাতুন ও সদস্য আব্দুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, আমাদেরকে না জানিয়ে প্রধান শিক্ষক মাহাফুজুল হক মিন্ট গত ১৯ জুলাই ভাতিজা আসাদ হোসেনকে অফিসসহায়ক, মহিদুল ইসলাম মনাকে পরিচ্ছন্ন কর্মী এবং বীথি খাতুনকে আয়া পদে মোটা অংকের অর্থবানিজ্যের মাধ্যমে নিয়োগ দেন।

অভিযোগকারিরা বলেন বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রধান শিক্ষক সাইকেল স্ট্যাণ্ড করার কথা বলে সাদা রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। পরে জানতে পারছি আমাদের ওই স্বাক্ষরে তিনি নিয়োগ বানিজ্যের কাজে ব্যবহার করেছেন। এদিকে নিয়োগের পর থেকে প্রধান শিক্ষক নিজেকে আড়াল করে রেখেছেন। তার ব্যবহৃত ফোনে কল দিলে রিসিভ করছেন না অথবা কাউকে দিয়ে রিসিভ করাচ্ছেন। একপর্যায় প্রধান শিক্ষকের বাড়েিতে গিয়ে নিয়োগের ব্যাপারে জানতে গেলে তিনি কয়েকদিন দরে বাড়িতে নেই বলে জানানো হয়।