এম এ মতিন চুয়াডাঙ্গাঃ- এ যেনো জ্বরের জেলাতে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চল চুয়াডাঙ্গা জেলা।
বাংলাদেশের ইতিহাসে চুয়াডাঙ্গা জেলা একটি ঐতিহাসিক স্থান, এ জেলার পশ্চিম দিকে ভারতের পশ্চিম বাংলার নদীয়া জেলা অবস্থিত।

ভৌগোলিক কারণ এই এ অঞ্চলের মানুষ পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের মানুষের সাথে ভাষাগত মিল রয়েছে।

এ জেলার সাথে স্থল ও নৌপথে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতের নদীয়া জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই সহজতর হওয়াই, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রে চিকিৎসা সেবা সহ অন্যান্য প্রয়োজনে এই জেলা রুট হিসেবে ব্যবহার হওয়ায় সংক্রমিত ব্যাধিগুলো খুব দ্রুতই এ জেলার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এথানে এখন এক দিকে চলছে প্রচন্ড তাপ দাহ অপর দিকে ভাইরাসের চোখ রাঙানী।

এমতাবস্থায় এ জেলায় দুই ভাইরাসের করোনা ও মৌসুমীর কাছে ধরাশায়ী মানুষ।
জ্বরের লক্ষণ সমৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে,
প্রতি ঘরে ঘরে জ্বর, ঠান্ডায় সর্দি জনিত, গলা ব্যথা উপসর্গ রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রত্যেক বাড়িতে আছে জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তি। আক্রান্ত রোগীদের মাঝে কোরনা টেস্টের প্রতি অনিহা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিনই শতশত জ্বর, ঠান্ডা, গলা ব্যথা সহ রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে।
ওয়ার্ডের বরাদ্দ কৃত বেড সংখ্যার থেকে তিন/চার গুণ পরিমাণ বেশি রোগী বারান্দা ও বিভিন্ন জায়গায় ভর্তি থেকে চিকিৎসা গ্রহন করছেন।

প্রয়োজনের তুলনায় লোকবল সংকট থাকায় সদর হাসপাতালের নার্স ও চিকিৎসকগণের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
রোগীসহ রোগীর লোকজনের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বিরম্বনা তৈরি হচ্ছে, সেইসাথে প্রকট হচ্ছে বতর্মানের সংক্রমিত ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করেন, জনগণ যদি
এখনই সচেতন না হয়, তাহলে বিশ্ব সংকট তৈরি কারী মহামারী করোনা ভাইরাসের ক্ষতিকর প্রভাব অতি সন্নিকটে, সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত বলে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করেছেন।