ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃচীন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনামসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বেড়াজাল ভেদ করে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ নিয়ে চাষ হচ্ছে ড্রাগন ।
উপজেলার বনগাঁও গ্রামে ১৫ শতক জমিতে ১’শত৮৬টি গাছ নিয়ে চাষ হচ্ছে এই ফলের। ওই গ্রামের মৃত: তৈয়ব উদ্দিনের সন্তান শিক্ষক এবং উপজেলার আদর্শ কৃষক পয়গাম আলী মাস্টার ড্রাগন চাষের এই উদ্দ্যোগ নেন।

গত রবিবার ওই কৃষকের ড্রাগনের বাগানে উপজেলা কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ,কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রফিকুল হাসান প্রামাণিক,প্রেসক্লাব সভাপতি ফারুক আহাম্মদ সরকার, সহকারী কৃষি অফিসার সাদেকুল ইসলাম এর উপস্থিততে ড্রাগন গাছ বসানো হয়।

এসময় উপজেলা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ এ প্রতিনিধিকে বলেন, এই ফল চাষ অনেক লাভজনক। একবার গাছ বসালে টানা ১৬-২০ বছর ফল পাওয়া যায়। ফলের দামও প্রচুর। এই ফল নানারকম রোগের পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এবং তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অতি অল্প সময়ের মধ্যে সমস্ত উপজেলায় এর চাষ হবে এবং কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করবেন বলে তিনি জানান।

খাদ্যগুণের কারণে এই ফলকে ‘রাজা’ বলে অভিহিত করছেন বিশেষজ্ঞরা।কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ৫৫ গ্রাম খাওয়ার যোগ্য। পরিমিত প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন-সি থাকে। পাইটোঅ্যালবুমিন নামে এক ধরনের যৌগ এই ফলে আছে, যা মানবদেহের নানা রোগ প্রতিরোধ করে এমনকি ডায়াবেটিস ও হার্টের রোগীরা অনায়াসে এটা খেতে পারেন। চিকিৎসকদের দাবি, কোষ্ঠকাঠিন্য দ‚র ও লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী।