নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনার কথা মুঠোফোনে মোস্তফা মহসিন মন্টুকে জানিয়েছেন শওকত নামের জৈনক এক ব্যক্তি। ইতোমধ্যে এই কথোপকথনের একটি অডিও ফাঁস হয়েছে। এদিকে আজ বুধবার ফাঁস হওয়া ফোনালাপের সেই শওকতকে চেনেন না বলে দাবি করেছেন মন্টু।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, ‘উদ্বিগ্ন হয়ে ২০ মিনিটের মধ্যে বিষয়টি আমি ড. কামাল স্যারকে জানাই। যেটা তাৎক্ষণিক করার দরকার ছিল, তা করেছি। তবে শওকতকে আমি চিনিও না, জানিও না। কখনও দেখিনি।’ ফাঁস হবার পর থেকে ফোনালাপটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। কথোপকথনে শওকত নামের ওই ব্যক্তি মোস্তফা মহসিন মন্টুকে ড. কামালের নিরাপত্তা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

ফোনালাপে জনৈক শওকতের দাবি, ‘আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির যদি টাকা-পয়সায় কাজ না হয়, তাহলে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য ড. কামাল হোসেনকে হত্যা করা হতে পারে।’

শওকতকে চেনন না বলে দাবি করলেও ফোনালাপের মধ্যে নিজের অংশের কথার ব্যাপারে স্বীকার করেন গণফোরামের মহাসচিব মোস্তফা মহসিন মন্টু। তিনি বলেন, ‘জ্বি, কথা যেহেতু হয়েছে। অস্বীকারের কিছু নেই। সেখানে আমার কথা ছিল।’ ফোনালাপের শওকতের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওকে (শওকতকে) আমি চিনিও না, জানিও না। জীবনে দেখিওনি। তিনি একটা কথা বলেছেন, আমি শুধু উত্তর দিয়েছি। কে শওকত তা আমার জানারও দরকার নাই। পুলিশের দরকার পড়লে খুঁজে বের করুক। অসুবিধা কী?’

ড. কামাল গণফোরামের সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা। হত্যার পরিকল্পনার পর আপনারা উদ্বিগ্ন কি না জানতে চাইলে মন্টু বলেন, ‘যার (ড. কামাল) সম্পর্কে কথাটা আসছে, আমি ২০ মিনিটের মধ্যে তার কাছে পৌঁছে গেছি এবং স্যারকে (ড. কামাল) বিষয়টি জানিয়েছি। সে ব্যাপারে ওনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা তিনিই জানেন। আমাদের যেটা বলা দরকার, সেটা বলেছি, যেটা করা দরকার করেছি।’

মন্টু দাবি করেন, নিরাপত্তার বিষয় বলে এগুলো বের করে কোনো লাভ হবে না। তারা কোনো অসামাজিক, অবাস্তব কথা বলেন না। শওকত একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়েছে বলে জানান মন্টু।