আলিফ হোসেন, তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌরসভায় নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে। জানা গেছে, মেয়র প্রার্থীরা কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে ধর্ণা দিয়ে ভোট প্রার্থনা করে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন।এদিকে এখন পর্যন্ত্য প্রচার- প্রচারণা ও গণসংযোগে এগিয়ে থেকে ভোটারদের কাছে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী প্যানেল মেয়র আমির হোসেন আমিন। ভোটের দিন যতো ঘনিয়ে আসছে  প্রতিনিয়ত নৌকার সমর্থন ততোই বাড়ছে।এতে চরম বিপাকে পড়েছে বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী নৈশপ্রহরী সাইদুর রহমান। স্থানীয়রা বলছে, ভোটের মাঠে বিজয়ী হবার দৌড়ে আমিনের সঙ্গে অন্য প্রার্থীদের বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে ভোট মেশিন ময়না ও প্রতিক নৌকা।এদিকে সাংসদ প্রতিনিধি, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান (ভোট মেশিন) লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাদের সাংগঠনিক কর্মকান্ড জোরদার,  নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা এবং নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে কর্মীসভা-বর্ধিতসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসুচি গ্রহণ করেছে। আওয়ামী লীগ এবার প্রার্থী নয় নৌকার জনসমর্থন৷ বৃদ্ধি এবং  তৃণমুল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় করাকেই বেশী গুরুত্ব দিয়ে প্রচার- প্রচারণা করায় ভোটের মাঠে নয়ামেরুকরণ দেখা দিয়েছে।জানা গেছে, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ৫ বারের নির্বাচিত  কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আমির হোসেন আমিন নৌকা প্রতিক নিয়ে স্থানীয় সাংসদের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ নিয়ে তিনি অবিরাম ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে ছুটে চলেছেন, এতে তিনি ইতিবাচক বিপুল সাড়াও পাচ্ছেন। ভোটারগণ বলছে, এবার তারা প্রার্থী নয় এলাকার উন্নযনের স্বার্থে সরকার দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে চাই।অন্যদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও সোনীয়া সরদার,  রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ খাঁন, উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ সাজেমান আলী, প্রচার সম্পাদক আহসানুল হক স্বপন,,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম,পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, আহম্মেদ সিজার, আরিফ রায়হান তপন, বদিউজ্জামান নয়ন, মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ ও জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখগণ। নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে মরন কাঁমড় দিয়ে মাঠে রয়েছেন।স্থানীয়রা বলছে,  পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ভোট করতে যে ধরণের আর্থিক স্বচ্ছলতা, জনসমর্থন ও কর্মী বাহিনী প্রয়োজন সেটা কেবলমাত্র প্যানেল মেয়র আমিনেরই  রয়েছে, সেই বিবেচনায় তিনি মেয়র হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আমির হোসেন আমিনকে “পৌর পিতা” হিসেবে দেখতে চাই পৌর-সেবা থেকে বঞ্চিত, নিপিড়ীত, লাঞ্চিত, উপেক্ষিত ও অবহেলিত জনপদের (মুন্ডুমালা)  বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।আমির হোসেন আমিন (তৎকালীন) বাঁধাইড় ইউনিয়ন পরিষদ ইউপির বৃহতম ওয়ার্ডে পর পর তিন বার ইউপি সদস্য ও মুণ্ডুমালা পৌরসভায় বৃহৎতম ওয়ার্ড থেকে পর পর   তিন বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং প্যানেল মেয়র। অর্থাৎ তিনি একটানা প্রায় ২৫ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে সততা ও  ন্যায়-নিষ্ঠার সঙ্গে নিরলস ভাবে (দায়িত্ব পালন) জনসেবা করে  আসছেন। পৌরবাসীর অভিমত, পৌর এলাকায় আমিনের জনপ্রিয়তা বর্তমান মেয়র গোলাম রাব্বানী ও তার ঘনিষ্ঠ সহচর সাইদুর রহমানের থেকে অনেক বেশী। যে কারণে তাদের নেপথ্যে মদদে মেয়র পন্থী বলে পরিচিত বিএনপি-জামাত অনুগত একশ্রেণীর জনবিচ্ছিন্ন বিতর্কিতরা আমিনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। এমনকি আমিনের বিজয় ঠেকাতে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী দিয়েছে।স্থানীয় সুত্রের ভাষ্য,  আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী  ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, আপমর জনগোষ্ঠী এবং পৌর এলাকার সাধারণ খেটে খাওয়া গরীব-দুঃখী অসহায় মানুষ   আর কোনো রাজনৈতিক বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক মিরজাফর, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার পুত্র এবং খন্দকার মোস্তাকের প্রেতাত্ত্বা অনুসারী নেতৃত্বে  এসে পৌরসভাকে কুলষিত করুক সেটা চাইনা বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে