মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃলালমনিরহাটের তিস্তা সড়ক ও রেল ‘সেতু’ দেখাতে এনে ‘সংঘবদ্ধ’ ধর্ষণ করা হয়েছে এক তরুণী-কে (১৬)। এমন অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারী) সন্ধ্যার পর ওই তরুণী’র পিতা বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।এর আগে, বৃহস্প‌তিবার (১৪ জানুয়ারী) দুপুরে তিস্তা সড়ক সেতুর পাশ্ববর্তী এক‌টি গুদাম ঘরে এ ‘সংঘবদ্ধ’ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।গ্রেপ্তার  ব্যাক্তিরা  হলেন-  কুড়িগ্রামের রাজারহাট  উপজেলার  ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম দেবোত্তর এলাকার শ্রী ত্রিপদ রায়ের পুত্র হোটেল ব্যাবসায়ী শ্রী নির্মল চন্দ্র রায় (২৯) ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের পুর্ব দালাল পাড়া এলাকার মো. তৈয়ব আলীর পুত্র মো. আতিকুল ইসলাম (২৭)।থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হোটেল ব্যাবসায়ী শ্রী নির্মল চন্দ্র রায় বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী দুপুরে তার প্রতিবেশী এক তরুণী-কে লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা সড়ক ও রেল ‘সেতু’ দেখানোর জন্য বেড়াতে নিয়ে আসে। এ সময় সেতুপাড়ের বন্ধু মো. আতিকুল ইসলামের সহায়তায় পাশের একটি গুদাম ঘরে নিয়ে ওই তরুণী-কে ‘সংঘবদ্ধ’ ধর্ষণ করে নির্মল চন্দ্র ও তাঁর বন্ধু।এর এক পর্যায়ে, তরুণী কৌশলে গুদাম ঘর থেকে বেরিয়ে পাশের সেতুপাড়ের টোল প্লাজায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিষয়টি অবগত করলে- পুলিশ তাৎক্ষণিক ভাবে অভিযুক্ত নির্মল চন্দ্র ও তাঁর বন্ধু আতিকুলকে আটক করে।পরে, পুলিশের সহায়তায় তরুণীর পিতা খবর পেয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় এ ঘটনায় আটকদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় পুলিশ আটকদের গ্রেপ্তার দেখায়।একই সাথে, ওই তরুণী-কে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর থানার পু‌লিশ প‌রিদর্শক (ওসি) ‌মো. শাহ আলম  বলেন, ধর্ষণের শিকার তরুণী-কে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। সেই সাথে মামলার এজাহার ভুক্ত দুই আসামীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।আসামীদের  আদালতে সোপর্দ করার প্রস্ত‌তি চলছে বলেও জানান ও‌সি।