ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ পিবিআই দীর্ঘ দুই বছর পর আলিম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করলো। এ ঘটনায় মুল আসামী আব্দুস সালাম শুক্রবার মাগুরা বিজ্ঞ আদালতে ফোজদারী কার্যবিধির ১৬৪ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। রবিবার দুপুরে ঝিনাইদহ পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই পুলিশ সুপার মাহাববুর আলম জানান, ২০১৮ সালের ২৬সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার চর চাকদা গ্রামের গড়াই নদীতে অজ্ঞাত একটি লাশ গ্রামবাসী দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। লাশ উদ্ধারের পর আলিমের বাবা নবুয়ৎ মন্ডল জব্দকৃত আলামত দেখে তার ছেলে আলিমের লাশ বলে শনাক্ত করে। ছেলে নিখোজের ঘটনায় আলিমের বাবা নবুয়ৎ মন্ডলের শ্রীপুর থানায় করা সাধারণ ডায়েরি পরবর্তী মামলা হিসাবে গ্রহণ করা হয়। মামলাটির তদন্ত ভার পাই শ্রীপুর থানার এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন। দায়িত্ব নেয়ার পর এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৭জনকে গ্রেফতার করেলেও , কোন তথ্য উদঘাটন করতে না পারায় ১বছর পর ২০১৯সালের ২৬সেপ্টেম্বর আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া। বিজ্ঞ আদালত নথি পর্যালোচনা করে মামলাটি পুনঃতদন্ত করার জন্য পিবিআই ঝিনাইদহকে দায়িত্ব দেয়। পিবিআই ১বছরের বেশি সময় তদন্ত করে এ ঘটনার মূল বিষয় উদঘাটন করতে সক্ষম হয়। সেই সাথে জড়িত মূল আসামী আব্দুস সালামকে গত ১৫জানুয়ারি গ্রেফতার করে। পিবিআই পুলিশ সুপার আরো জানান, স্ত্রীর সাথে আব্দুল সালামের ছোট ভাই লিটনের পরকিয়ার বিষয়টি জানতে পারে আলিম। পরে গ্রাম্য সালিশে সালামের ভাইকে নাকে খত দিতে হয়েছিলো। এর প্রতিশোধ নিতেই আলিমকে হত্যা করে সালাম।