নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হোসেন রুবেলের অর্থপাচার মামলায় ৪৮৭ টি তফসিলে ৫৭০৬ বিঘা জমি, ৫৫ টি বাস ও ১৮৮ টি হিসাবসহ পৌনে ১০ কোটি টাকা ক্রোকের নির্দেশনা প্রদান করেছে আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কাফরুল থানায় মানিলন্ডারিং মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দিয়েছেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, অর্থপাচার মামলায় সাজ্জাদ হোসেন বরকত এবং তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ পাঁচজনের ৮৮ টি ব্যাংক হিসাব ক্রোকের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১৮৮ টি ব্যাংক হিসাবে থাকা প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং তাঁদের মালিকানাধীন ৫৫টি বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি ক্রোক করারও আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল। এছাড়াও মাদক ব্যবসা, ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন তারা।

উল্লেখ্য যে, এসি, নন-এসিসহ ২৩ টি বাস, ড্রাম ট্রাক, বোল্ডার, পাজেরো গাড়ির মালিক ছাড়াও টাকার উল্লেখযোগ্য অংশ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন তারা। প্রথম জীবনে এই দুই ভাই রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে এক বিএনপি নেতার ফরমাশ খাটতেন। তখন তাদের সম্পদ বলতে তেমন কিছুই ছিল না।