উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ
নড়াইল জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রচার কার্যক্রম শক্তিশালী করণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে নড়াইলের সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের আগদিয়ার চর মহাশ্মশান প্রাঙ্গনে এ মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা তথ্য অফিসার মো ইব্রাহিম আল মামুনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম কামরুজ্জানান। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা গ্রন্থাগারিক তাজমুল ইসলাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহকারী প্রকল্প পরিচালক দেবাশীষ বাইন, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের নড়াইলের উপব্যবস্থাপক মামুনুর রশীদ, কলোড়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়্যারম্যান আশিষ কুমার বিশ্বাস ও অত্র মন্দিরের সভাপতি বিদ্যুত কুমার স্যানাল।  অনুষ্ঠান সার্বিকভাবে সঞ্চালনা করেন নড়াইল জেলার ক্রীড়া অফিসার মো কামরুজ্জানান।
উক্ত মহিলা সমাবেশে বক্তারা বলেন, গ্রামীণ মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্নসোপান রচিত হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আমার গ্রাম আমার শহরের যে স্বপ্ন, সেটি বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের অংশগ্রণের বিকল্প নেই।
বাংলাদেশ যে উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে সেখানে গ্রামীণ নারীদের ভূমিকা অগ্রগণ্য ৷ উন্নয়নের ধারায় দেশকে দৃঢ়ভাবে খাড়া রাখতে গেলে প্রান্তিক নারীদের উপেক্ষা করার অবকাশ নেই।
এছাড়া বক্তারা করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ ব্রান্ডিং কার্যক্রম, মাদকের ভয়াবহতা, বাল্য বিবাহ ও সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের অর্জিত সাফল্য, সরকারের বৃহৎ প্রকল্পসমূহ, তথ্য অধিকার, তথ্য প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, প্রতিহিংসা ও অপরাজনীতি, গুজব অপপ্রচার, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, নারীর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দূর্যোগকালীন নারীর সুরক্ষা, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে উন্নয়নের ধারাকে শক্তিশালীকরণ বিষয়ে সচেতনামূলক বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার আড়াই শতাধিক  মহিলা অংশগ্রহণ করে। এ সময় নারীর উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র প্রদর্শন  করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় শিশু-কিশোরীরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থাপন করে।