নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতের অরাজক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়াচ্ছেন বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি পি কে হালদার চক্রের ১৫ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর এ খাতে গোয়েন্দা তৎপরতা চালাচ্ছে দুদক। এমনকি এক্ষেত্রে গঠন করা হচ্ছে একটি আলাদা ইউনিট।

নন-ব্যাংকিং খাতে পিকে হালদার চক্রের সীমাহীন দুর্নীতি আর অনিয়মের তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে একের পর এক। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মোট ১৫ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক কর্মকর্তা এসব দুর্নীতির তথ্য জানলেও উচ্চপদস্থদের ক্ষমতার সামনে তারা ছিলেন অসহায়। দুদকের অনুসন্ধানে এমনই চিত্র উঠে এসেছে।

নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আলাদা নীতিমালা না থাকায় এ খাতে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সমবায় অধিদপ্তরের সমন্বয়ে একটি নীতিমালা প্রনয়ণে তাগিদ দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার মোজাম্মেল হক খান জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোয় দুর্নীতির উৎস, কারণ ও বিস্তার বুঝতে গোয়েন্দা তৎপরতা চলাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

উল্লেখ্য যে, পিকে হালদার চক্রের সাথে এ পর্যন্ত পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, এফএএস ফাইন্যান্সসহ দশ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এজন্য নন ব্যাংকিং খাতের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখছে দুদক।