উজবেকিস্তানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এতদিন মুসলিম শিক্ষার্থীদের হিজাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। সেটি তুলে নিয়ে এখন হিজাব পরিধানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ক্লাসে মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়। খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি ও দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উজবেকিস্তানের প্রধান ধর্ম ইসলাম। কিন্তু দেশটির সরকার কার্যত কট্টর অসাম্প্রদায়িক। সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই তারা এ বিষয়ে কঠোর। গত তিন দশক ধরে ধর্মীয় রীতিনীতি পালনে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে মধ্য এশিয়ার দেশটি।

গত শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) উজবেকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী শেরজদ শেরমাতভ জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীদের হিজাব পরিধানে অনুমতি চেয়ে অসংখ্য অভিভাবক আবেদন করেছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সাদা অথবা হালকা রংয়ের হিজাব বা মাথার টুপি পরার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

উজবেকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসক ইসলাম কারিমভের মৃত্যুর পর ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন শাভকত মিরজিয়োইয়েভ। এরপর থেকে তিনি ধীরে ধীরে ধর্মের ওপর আরোপিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে থাকেন। নতুন এই সিদ্ধান্ত সেটিরই ধারাবাহিকতা।