এইচ এম হাকিম, স্টাফ রিপোর্টারঃ চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিনিয়ত সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভদের উপচে পরা ভীড়, যাতে ফলে সাধারন রোগীরা বিভিন্ন ভাবে ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছে। এমনো দেখা যায়, রোগীকে দেওয়া ডাক্তার এর পরামর্শ পত্র রিপ্রেজেনটেটিভরা জোর করে নিতে গিয়ে ছিড়েও ফেলেছে, এতো রিপ্রেজেনটেটিভ হাসপাতালে ডাক্তার এর চেম্বারে থাকার কারন কি?

জনমনে এমনটাই প্রশ্ন রয়েছে, হাসপাতালে ডাক্তার এর চেম্বারে রিপ্রেজেনটেটিভ থাকার কারন এমনটা নাতো রিপ্রেজেনটেটিভদের কাছ থেকে মোটা অংকের কোন কমিশন বানিজ্য! জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই আমার দেশ পত্রিকার রিপোর্টার সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, রোগীর চিকিৎসা বাদ দিয়ে ডাক্তার ও রিপ্রেজেনটেটিভ এর আলাপ চলছে, অসহায় রোগীরা তাকিয়ে তার দৃশ্য দেখছে। এ যেন বাঁশের চাইতে কঞ্চির কদর বেশি।

জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যখন ডিউটি পরে সহকারী ডাক্তার আজিজুর রহমানের ঠিক তখনিই হাসপাতালে ডাক্তার এর চেম্বারে রোগীর চাইতে রিপ্রেজেনটেটিভদের সিরিয়াল বেশি দেখা যায়। প্রতিবাদ করতে গিয়ে ডাক্তার ও রিপ্রেজেনটেটিভদের অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে হেরে গেছে অনেকে, অনেক দিন ডাক্তার আজিজুর রহমান জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থায়ী ভাবে থাকার কারনে তার এখন অনেক অদৃশ্য ক্ষমতার শুভাকাঙ্ক্ষী সৃষ্টি হয়েছে। জীবননগর উপজেলা জুড়ে বিরাট একটি অংশের মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে উথলী ইউনিয়নের সেনেরহদা গ্রামের তাওসান বলেন, ডাক্তার সাহেব চিকিৎসা বাদ দিয়ে ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভদের সাথে গল্পে মেতে থাকে, তাতে করে আমরা সাধারন রোগীরা নানা ভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। এমন শোনার পরে সংবাদ কর্মিরা হাসপাতালে ঢুকলে ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটেটিভ আনিসুর রহমান ডাক্তার এর চেম্বারে সংবাদ কর্মিদের সাথে বাজে ব্যাবহার করে.নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, প্রায় ৩০ মিনিট সিরিয়ালে ডাক্তার দেখানোর জন্য বসে আছি,কিন্তু ডাক্তার ও ঔষধ কোম্পানির লোকের গল্পের কারনে আমরা এখনো বসে আছি।

জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সহকারী ডাক্তার আজিজুর রহমানের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে হাসপাতালের ভিতরে ওষুধ কোম্পানির লোকজন ঢুকা ঠিক না, তারা এলে আমাদের কথা বলতে হয়।

রোগীরা ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।