মনিরুজ্জামান লেবু, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ কেন্দ্র দখল,ভোট প্রদানে কারচুপি,ভোটারদের ভোট প্রদানে বাধা প্রদান,এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া সহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম।
অাজ রোববার (২৮ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় সৈয়দপুরে জাতীয় পার্টির প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষনা দেন।
সিদ্দিকুল আলম বলেন, আমার নিজের বৃদ্ধা মা ভোট দিতে পারেন নাই। গোপন বুথের কাছে যাওয়া মাত্র তার মাকে নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করলে আমার মা কেন্দ্র ছাড়তে বাধ্য হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে আমার নির্বাচনী এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। আমার সহধর্মিণীকে প্রাননাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।বেশ কয়েকজন নির্বাচনী এজেন্টকে নির্বাচনী পরবর্তী সময়ে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রায় প্রতিটি কেন্দ্র থেকে লাঙ্গলের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। এমনকি মহিলাদের গায়েও হাত দেওয়া হয়েছে। আমার কোন কর্মী সমর্থককে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।সাধারন ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে গেলে তাদের নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। সিদ্দিকুল আলমের সহধর্মিণী ইয়াসমিন আলম বলেন, আজ সৈয়দপুরবাসী একটি প্রহসনের নির্বাচন দেখলো। সাধারন মানুষদের নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করছে সরকারের গুন্ডা বাহিনিরা।মনিরুজ্জামান নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা আমার এবং আমার শাশুড়িকে হেনেস্তা করেছে।
উল্লেখ্য, সৈয়দপুর পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডের ৪১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ পৌরসভায় মোট ভোটার ৯৩৮৯৩ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৪৬৭৬৩জন ও নারী ভোটারের সংখ্যা ৪৭১৩০জন। আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি সহ ৫জন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদন্দিতা করেছিলো।