মনিরুল ইসলাম, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ পাইকগাছায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস। স্বামীর অস্বীকার। থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা। আসামী পুলিশের খাচায়। মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হরিঢালী ইউপির হরিদাশকাটি গ্রামের মৃত হযরত আলী শেখের পুত্র মীর তৈয়েবুর শেখ ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরী করার অবস্থায় বাদী রুমা বেগমের সাথে পরিচয় হয়। তখন বাদী বিবাহিত ছিল। তার স্বামী বিদেশে থাকার সুবাদে তৈয়েবুর ও রুমা বেগমের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তারা দু’জন দু’জনই খুব কাছে চলে আসে এবং তৈয়েবুর শেখ বাদীকে বিয়ে করবে বলে আশ্বস্ত করে। রুমা বেগম জানান, তাকে বিশ্বাস করে স্বামীকে তালাক দেই। পরবর্তীতে একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করতে বললে আমি স্বাক্ষর করলে বিয়ে হয়েছে বলে সে জানায়। সে সুবাদে আমি তার সাথে ঘর করতে থাকা অবস্থায় একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তার বয়স এখন ৪ বছর। আসামী পরবর্তীতে সুকৌশলে আমার নিকট থেকে স্ট্যাম্পগুলো নিয়ে বিয়ে অস্বীকার করে। তার ঔরষে সন্তান হলেও সে অস্বীকার করে। উপায়ন্তর না পেয়ে পাইকগাছা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করি। ওসি এজাজ শফীর নির্দেশে রবিবার রাতে আসামী তৈয়েবুরকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সকালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।