খোরশেদ আলম, সাভার প্রতিনিধি: ঢাকার আদৃরে শিল্পাঞ্চল সাভারের আশুলিয়া থানাধীন পাথালিয়া ইউনিয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিত। আর এই ইউনিয়নে সবচাইতে বেশিরভাগ মানুষই শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ বসবাস করেন ৩নং ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডে জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং রয়েছে শিল্প কল কারখানা। এত কিছু থাকার সত্ত্বেও এই ওয়ার্ডটি ছিল একেবারেই অবহেলিত, ট্রেনের ব্যবস্থা তো দূরের কথা চলাচলের জন্য রাস্তারও ছিল দুরবস্থা।

আর এই দুরবস্থার মধ্যেই পাথালিয়া ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে নির্বাচন করেন শফিউল আলম সোহাগ এবং নির্বাচনে জয় লাভ করেন। ৩নং ওয়ার্ডের সম্পূর্ণ দায়িত্ব যেন নিয়ে নেন শফিউল আলম সোহাগ। পরিবর্তন হতে থাকে রাস্তাঘাটের চিত্র।

দলবদ্ধতা নিরসনে তৈরি করা হয় ড্রেন ব্যবস্থা। মহামারী করোনাকালীন সময়ে গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সোহাগ মেম্বার।

নগদ অর্থ দিয়ে সাহায্য করা এবং করোনাকালীন সময়ে ছোট-বড় অনেক স্কুলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্কুলের স্যার দের জন্য খাদ্য সামগ্রী উপহার দিয়েছেন তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাতের অন্ধকারে।

তাতেই জননন্দিত পরিশ্রমি তরুণ এই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অল্পবয়সেই জয় করে নিয়েছেন তিন নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের মন।

পাঁচ বছরের ভালোবাসায় জনগণের হৃদয়ে বাসা বেধেছে এই জনপ্রতিনিধি। তারই প্রতিদান হিসেবে এবারও জনগন ভোট দিয়ে পাথালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার করতে চান শফিউল আলম সোহাগকে।

৬০ বছর বয়সী হাজী নুর মোহাম্মদ বলেন, সোহাগকে আমি ভালো জানি সে ভালো মেম্বর ভালো লোক সবার মন জোগাইয়া চলতে পারে খারাপ কোনো কিছুই সে পছন্দ করে না। সন্ত্রাস চাঁদাবাজি থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে সর্বদিকে সে ভালো একটা ছেলে এই মহামারী করোনার ভিতরে সরকারিভাবে হক বেসরকারিভাবে হোক নিজের অর্থায়নে হলেও হোক সবার কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন। মহামারী করোনাভাইরাস দীর্ঘ সময় থাকলে সমাজের ভেতর যাদের অবস্থান ভালো তাদের কাছ থেকে নগদ অর্থ ক্রয় করে হলেও গরিবদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন।

অটোরিকশা চালক মুহাম্মদ শফী বলেন, একাত্তরের গন্ডগোলের পর যত চেয়ারম্যান-মেম্বার আইছে তারা খালি আইছে আর গেছে কোন ধরনের কাজ করে নাই। সোহাগ মেম্বর পোলাপাইন হিসেবে গতবছরে যে কাজ করছে এখনো করতেছে সামনের নির্বাচনে আবারও তাকে আমরা মেম্বার হিসেবে দেখতে চায়। কারন আমরা চাইলও চাই না ডাইলও চাই না আমরা চাই রাস্তা ঘাট আর সমাজের মধ্যে উন্নয়ন যা সোহাগ মেম্বার করছে।

সবজি বিক্রেতা আসাদ বলেন, আপনারা যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন এখানে দাড়ানো তো দুরের কথা হাটাও যেত না আর এখন গাড়ি চলে। সব সোহাগ মেম্বার এর অবদান।বিপদে পড়লে তার কাছে গেলে কখনও খালি হাতে ফিরায় নাই এবং কি তার অফিসে কোন ধরনের কাগজ পত্রে সাইন কিংবা সার্টিফিকেট এর জন্য গেলে তারা তারি করে দিয়েছেন। তাই আমার এক কথা আমি কোন দল বুজি না সামনের নির্বাচনে আবারও সোহাগকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চায়।

এ ব্যাপারে সোহাগ মেম্বারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি জনগনের মেম্বার হতে চাই। জনগণের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই। আমার নেত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে একটি ডিজিটাল দেশ হিসেবে রূপান্তরিত করিতেছেন। আমিও আমার পাথালিয়া ইউনিয়ন এর ৩নং ওয়ার্ডকে ডিজিটাল ওয়ার্ড হিসেবে রূপান্তরিত করবো। সামনে আবার মেম্বার হলে ৩ নং ওয়ার্ডকে অত্যাধুনিক ও ক্লিন সিটি বানিয়ে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।