কামরুল ইসলাম: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের নতুন পাড়া এলাকায় জায়গা-জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ উভয় পক্ষের লোকজন গুরুত্বর আহত হয়েছে বলে সংবাদ পাওয়া গেছে।

১১ আগস্ট ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পুটিবিলা নয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

এ ঘটনায় এক পক্ষ কে জিম্মি করে অপরপক্ষের নুর হোসেনের পুত্র মুুহাম্মদ আলমগীর(২৬) বাদি হয়ে ওই এলাকার আলী আহম্মদ,মিজানুর রহমান,শাহাব উদ্দিন, আমাউল্লাহসহ ৬জন সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২জনকে আসামী করে লোহাগাড়া থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়েন করেছেন।যাহার মামলা নং ১৫, ১১/০৮/২০২১ইং।

এজাহার সুত্রে জানা যায়, উল্লেখিত বিবাদীগণের সাথে বাদিদ্বয়ের দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-সম্পত্তির নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। উল্লেখিত সময়ে উল্লেখিত আসামীরা নুর হোসেনের ঘরে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে আলমগির কে বিবাদীগণ এলোপাতাড়ি লোহার রড়,বাটাম দিয়ে মারধর করেছে। কিন্তু স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দুই গ্রুপের মধ্যে মুখোমুখি কথা কাটাকাটি হয় এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোটা নিয়ে এক পক্ষ আরেক পক্ষকে আহত করে এক পর্যায়ে স্থানীয়রা এসে উভয় পক্ষকে সমঝোতার চেষ্টা করলে বাদী মোহাম্মদ আলমগীর স্থানীয়দের কথায় কর্ণপাত না করে থানায় এসে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন যাতে উল্লেখ করা হয়েছে তাকে উদ্ধার করতে তার ছেলে জাহাঙ্গীর ও তার মেয়ে রোমানা আকতার এগিয়ে আসলে তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্ষাক্ত জখম করে কিন্তু আসলে এটা সঠিক নয় বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়রা আরও বলেন আমরা উভয় পক্ষের আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি কিন্তু অপরদিকে বাদী আলমগীর উল্লেখ করেছেন তাকে আহত অবস্হায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে চমেকে প্রেরণ করেন কিন্তু তা আসলে কতটুকু সত্য তা তদন্ত সাপেক্ষে বুঝা যাবে কেননা স্থানীয়রা বলেন আসলে আলমগীর অপর পক্ষ কে ফাঁসানোর জন্য বুদ্ধিজীবীদের বুদ্ধি নিয়ে আলমগীর লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে । বর্তমানে আলমগীর আশংকাজনক বলেও এজাহারে উল্লেখ করেছেন কিন্তু স্থানীয়রা বলেন আমরা জানি বর্তমানে আলমগীর সুস্থ অবস্থায় আছেন ।

এ ব্যাপারে স্থানীয়রা আরো উল্লেখ করেন মুুহাম্মদ আলমগীর চট্টগ্রাম শহরে চাকরী করেন তিনি হয়তোবা বর্তমানে তার কর্মস্থলে ও থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছি আমরা। দীর্ঘদিন ধরে দুই গ্রুপের পরিবারের মধ্যে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। আলমগীর একটি ঘর দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভাবে দখল করে আসছিল তারই জের ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ । গত ১১আগস্ট ভোরে এই এই ঘর ছেড়ে দেওয়ার কথা থাকলেও ছেড়ে যায়নি আলমগীর ও তার পরিবার না দেওয়ার কারণেই এই সংঘর্ষ অপরদিকে আলমগীর ঘরটি ছেড়ে দিলে প্রতিপক্ষরা ওই ঘরে প্রবেশ করার কথা থাকলেও আলমগীরের পরিবারের পক্ষে শেষে কথা রাখেনি তাই জোর করে ওই ঘরে প্রবেশ করতে গিয়ে আলমগীর, ও তার বাবা, ভাই ও বোনের সাথে কথা কাটাকাটি হয় বিবাদীদের এক পর্যায়ে দুই গ্রুপেই লোহার রড় ও লাটিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে দিলে দুই গ্রুপের লোকজন রক্ষাক্ত জখম হয়।তাই বিষয়টি বিবাদী পক্ষ এবং স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন এবং আলমগীরের করা মিথ্যা মামলায় যেন বিবাদীদের কে হয়রানী মূলক গ্রেফতার না হয় তার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ড, প্রফেসর আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী ও সাতকানিয়া সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকোর কাছে আইনি সহযোগিতা কামনা করেছেন বিবাদী পক্ষ ও স্থানীয়রা ।।