হাফেজ মোঃ নুরউল্লাহ, হাজারীবাগ (ঢাকা) প্রতিনিধি:
চলমান কঠোর লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে ঢাকা হাজারীবাগ সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার জনসংযোগ কোন রকমেই বন্ধ না হয়ে দিনে দিনে আরো বেড়েই চলছে মানুষের ঢল।

লকডাউনের পূর্বে যেরকম দোকানপাট খোলা সহ ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা অনায়াসে ব্যবসা করতো তেমনি বর্তমান কঠোর লকডাউনে ও সেভাবেই স্বাস্থ্য বিধি মানছেন না ছোট ছোট শিশু সহ বয়-বৃদ্ধরাও। যেন রাস্তাঘাটই তাঁদের বসবাসের একমাত্র বাসস্থান।

হাজারীবাগ থানা পুলিশ বেড়িবাঁধ শিকদার ম্যাডিক্যাল এলাকা সহ পুরো হাজারীবাগ এলাকার মূল পয়েন্ট গুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে বিধিনিষেধ অমান্য করে অটোগাড়ী ও মোটরসাইকেল চলাচল কারীদের কাউকে জরিমানা আবার কাউকে কারন দর্শিয়ে সরকারের বিধিনিষেধ পালনে কঠোর ভূমিকা পালনের সময় কয়েকটি অটোরিকশা পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে হাজী সালাম সর্দার রোডের বালুরমাঠ এলাকার মধ্যে একটি গ্রেজে আত্নগোপন করলেও শেষ রক্ষা হয়নি চালক সহ অটো গাড়ীর। এসময় পুলিশ তিনটি অটোরিকশা আটক করে চালক সহ থানায় নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল হাজী সালাম সর্দার রোডের বালুরমাঠ এলাকার মাঝখানে চতুর্মুখী একটি পয়েন্ট গিয়ে দেখা যায় পুলিশের সামনেই অনেক দোকানপাঠ খোলা সহ রাস্তায় যেন মানুষের মিছিল। ১০% লোকের মুখে ছিলনা মাক্স। পুরো এলাকায় ঘুরে দেখা যায় শুধু এক পয়েন্টেই নয় পুরো এলাকাটিই জনগনের হাটবাজার।

বর্তমান কঠোরলকডাউনের ব্যাপারে স্থানীয় সমাজ সেবক সহ প্রশাসনের কোন রকমের বাঁধাই মানছেনা এসকল এলাকার জনগন।

এ ব্যাপারে স্থানীয় অনেকেই জানান, আমরা রাস্তায় বিশেষ প্রয়োজনীয় কাজেও বের হতে পারছিনা অহেতুক লোকজনের সমাগমের কারনে। কারনে অকারনে বাসা বাড়ি খালি ফেলে রেখে শুধু শুধু রাস্তায় বা দোকানের সামনে মহিলা ও পুরুষরা ছেলে সন্তানকে নিয়ে আড্ডায় জড়িয়ে যায়। তাঁরা আরো অভিযোগ করেন সরকারের বিধিনিষেধের ব্যপারে কাউকে কোন রকমে উপদেশ মূলক কথা বললেও মারমুখী হয়ে মারধর করার জন্য ছুটে আসার বিষয়টি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

এ ব্যাপারে মানবাধিকার সংস্থা uuhrbf ও দূর্নীতি দমন নাগরিক আন্দোলন ঢাকা জেলা কমিটির সদস্যদের দাবী অত্র এলাকার মধ্যে বসবাসকারী প্রায় লোকই হলো দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কাজের উদ্দেশ্যে আসা। তাঁরা মানছেনা সমাজের কারো কোন কথা বা উপদেশ, এমনকি ভয় পায়না থানা পুলিশকেও। তাই বর্তমান করোনাভাইরাস ও ডেঙ্গু রোগ থেকে এসকল এলাকার লোকজনকে রক্ষা করতে বা সরকারের বিধিনিষেধ মোতাবেক জনগণের মধ্যে সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনী সহ নির্বাহী ম্যাজিষ্টেটের মাধ্যমে জরিমানা করে কিছু কিছু দোকানদার ও জনগনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া একান্তই জরুরী।