নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত শতকের সত্তর ও আশির দশকের তুলনায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। এছাড়াও সম্প্রতি করোনা মহামারির সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ক্ষতি করেছে অন্য সময়ের থেকে অনেক বেশি। এই সময়ে এত ঘন, তীব্র ও জটিল আকারে এ রকম দুর্যোগ আগে দেখা যায়নি। এমটাই উঠে এসেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) এক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃষি খাতের ওপর দুর্যোগে ৬৩ শতাংশ প্রভাব পড়েছে। যার ফলে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে ভুগতে হতে পারে। গত ২০০৮ থেকে ২০১৮ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শস্য ও প্রাণিসম্পদ নষ্ট হয়ে ১০৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও স্বল্পোন্নত এবং নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে।

গত ২০০৮ থেকে ২০১৮ সালে স্বল্পোন্নত এবং নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে শস্য ও প্রাণিসম্পদের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা বছরে ৬ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন কিলোক্যালরি হারানোর সমান। যা ৭০ লাখ মানুষের বছরে গৃহীত ক্যালরির সমান।

উল্লেখ্য যে, বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বন্যা, ঝড়, কীটপতঙ্গ ও রোগবালাই এবং দাবানলে। এতে নির্দিষ্ট মৌসুমে ঠিকমতো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় শস্য ও প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ৩৪ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জীববৈচিত্র্যের বিপর্যয়ে ক্ষতি হয়েছে ৯ শতাংশ। এদের মধ্যে কোভিড–১৯ মহামারি বিদ্যমান সমস্যাগুলোকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।