ওসমান চৌধুরী, চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার চন্দনাইশ উপজেলাস্থ দুর্ঘম পাহাড়ি অঞ্চল ১০ নং ধোপাছড়ী ইউনিয়ন। 

উক্ত ইউনিয়নের আরেক দুর্ঘম এলেকা চিড়িংঘাটা। এই এলেকার বসবাস ঐতিজ্যবাহী পরিবার হাজী আমিনুল ইসলামের। উনার বড় ছেলে হাজী নুরুল ইসলাম কোখা এলেকার বিশিষ্ট দানবীর ও ধোপাছড়ী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি ছিলেন।এলেকায় ছিল তার নামডাক ও খ্যাতি। এই সম্পদ গুলি একদিন তার কাল হয়ে দাড়াই।

সেই যখন ধোপাছড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নমিনেশন চাই তখন-ই অন্যান্য স্থানীয়  আওয়ামিলীগ নেতাদের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে থাকে।

২০১৮ সাল ৪ এপ্রিল দিন দুপুরে এলোপাতাড়ি গুলি ও জবাই করে নিঃস্বসংস ভাবে হাজী নুরুল ইসলাম কোখাকে হত্যা করে এলেকার চিহ্নিত সন্ত্রাসিরা। সন্ত্রাসীদের মধ্যে জামাল,নাছির,রফিক,মোঃ হাছান,মোরশেদ আলম (চেয়ারম্যান), হাবিবুর রহমান, নূর হোসেন, এনামুল হক, ইকবাল সহ আরো ৭/৮ জন। উল্লেখ্য মোরশেদ আলম বর্তমান ধোপাছড়ী ইউনিয়ন পরিষদের এল ডিপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান করে নৌকার টিকিট নিয়ে চেয়ারম্যান হয়।আসামীরা সভাই জেলে ছিল। আইনের ফাঁক পোকরে জামীনে মুক্ত হয়ে এলেকায় স্বদর্পে চলাফেরা করতেছে।

এলেকার জনগণের প্রশ্ন এই রকম দিন দুপুরে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পাখির মত মানুষ হত্যাকরে কিভাবে পারপেয়ে যায় আসামিরা! 

হাজী নুরুল ইসলাম কোখার মা, স্ত্রী,ভাই,ছোট ছেলে বিচারের আশায় বুক বেঁধে আছে।