এস এম মাসুদ রানা, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের বিরামপুরে স্বামীর বটির আঘাতে নাজমা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ গুরুতর জখম হয়েছে। এ ঘটনার পর পরই এলাকাবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী দেলোয়ার হোসেন ও তার মাকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করছেন।

বিরামপুর পৌর শহর মাহমুদপুর (মুন্সিপাড়া) গ্রামের আফসার আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩০) ও তার মা দেলোয়ারা বেগম (৪৫)। এই সূতে বিরামপুর থানা পুলিশ জানায়।

বৃহস্পতিবার সকালে বিরামপুর পৌর শহর এলাকা মাহমুদপুর মুন্সিপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও বিরামপুর থানা সূত্রে জানা যায় যে, বিরামপুর পৌর শহর মাহমুদপুর (মুন্সিপাড়া) গ্রামের মৃত আফসার আলীর পুত্র দেলোয়ার হোসেন (৩০) এক বছর আগে ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকুরীর সুবাদে নাজমা বেগম (২৫)কে বিয়ে করে। পরে গার্মেন্টেসের চাকুরী ছেড়ে দিয়ে বিরামপুর পৌর এলাকায় মুন্সিপাড়ায় নিজ বাড়িতে বসবাস করে কৃষি কাজ করে আসছিলো। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়াকালে স্বামী দেলোয়ার হোসেন বটি দিয়ে তার স্ত্রী নাজমা বেগমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এতে নাজমা বেগম গুরুত্বর আহত হয়। এ ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা আহত গুরুত্বর আহত নাজমা বেগমকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বিরামপুর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ এবিএম শাহরিয়ার ফেরদৌস হিমেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,গুরুত্বর আহত নাজমা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী দেলোয়ার হোসেন ও তার মাকে আটক করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা আগ পর্যন্ত থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলেও ওই পুলিশের কর্মকর্তা জানান।