এস এম মারুফ, ক্রাইম রিপোর্টারঃ যশোরের বেনাপোল পোর্টথানাধীন ছোটআঁচড়া গ্রামে আব্দুল মজিদ (৬৫) নামে এক কৃষককে রামদা এর আঘাতে রক্তাক্ত জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। ঘটনার সাথে জড়িতদের মধ্যে দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ।

আটককৃত সন্ত্রাসী জাহিদুল ইসলাম (৫৮) ও তার ছেলে জুয়েল ইসলাম (৩২)। ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এখনও পলাতক রয়েছে।

রবিবার (৩০ মে) দুপুরের দিকে আসামী জাহিদুল ইসলামের বাড়ী বেনাপোল পৌরসভার ছোটআঁচড়া গ্রামের তালাবদ্ধ গোপণ এক গুদামঘর থেকে গুরুতর ভাবে জখম অবস্থায় ঐ কৃষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

আহত আব্দুল মজিদ সে শার্শা উপজেলার পুটখালী ইউনিয়নের খড়িডাঙ্গা গ্রামের মৃত ওম্বর আলীর ছেলে। তাকে চিকিৎসার জন্য শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এলাকাবাসী জানায়, সন্ত্রাসী জাহিদুল গংদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। অন্যায় ও জোর জলুমের অনেক অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

ঘটনার সূত্রে তারা বলেন, দুদিন আগে “ইয়াস” এর ঝড়ে নির্যাতিত আহত আব্দুল মজিদের কৃষি জমিতে আসামী জাহিদুলের একটি গাছ হেলে পড়ে। এতে চাষাবাদে সমস্যা হলে আব্দুল মজিদ গাছের মালিক জাহিদুলকে গাছটি সরিয়ে নিতে একাধিক বার অনুরোধ করে, কিন্তু তারা গাছ সরিয়ে না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে আব্দুল মজিদ গাছের ডাল ছেটে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জাহিদুল ও তার ছেলে একত্রে আব্দুল মজিদকে দড়ি দিয়ে বেধেঁ মাঠ থেকে তার নিজ বাড়িতে এনে শারিরীক নির্যাতনে রক্তাক্ত জখম করে আটকে রাখে।

খবর পেয়ে আব্দুল মজিদের পরিবার পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় কৃষককে উদ্ধার ও অভিযুক্ত সন্ত্রাসী জাহিদুল ও মাস্তান ছেলে জুয়েলকে গ্রেফতার করে।

বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম রফিক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামী জাহিদুল ও তার ছেলে জুয়েলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার প্রস্তুতি চলছে। আহত মজিদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক বাকিদেরকে ধরার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।