নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভাঙ্গা সংসার জোড়া লাগিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলেন চুয়াডাঙ্গার মানবিক পুলিশ সুপার জাহিদু ইসলাম। মোছাঃ শিল্পী খাতুন (৩৫), পিতা-মৃত মহসিন খাঁন, গ্রাম-বেলগাছি মুসলিম পাড়া, থানা ও জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর সাথে গত ১৭ বছর আগে মোঃ রফিক (৪০), পিতা-মৃত রেজাউল ইসলাম, সাং-মুক্তিপাড়া, থানা ও জেলা-চুয়াডাঙ্গা এর ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের সংসার জীবনে ১। রিন্তি (১৫), ২। মিন্তি (১১) নামের ফুটফুটে ২টি মেয়ে জন্ম গ্রহন করে। তাদের সুখের সংসার ১৭ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর গত ০২ বছর আগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ফলে সুখের সংসারে অশান্তি এমন আকার ধারণ করে যে ডিভোর্সের পর্যায়ে রূপ নেয়।
 
এমতাবস্থায় মোছাঃ শিল্পী খাতুন তার ০২ সন্তানের ভবিষৎ এর কথা চিন্তা করে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত অভিযোগটি তার কার্যালয়ে অবস্থিত এবং নিজে উদ্বোধনকৃত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এ কর্মরত নারী এএসআই (নিরস্ত্র)/মিতা রানী বিশ্বাস’কে দিলে তিনি উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মোছাঃ শিল্পী খাতুন এবং মোঃ রফিক দম্পত্তি পুনরায় সংসার করতে সম্মত হয়। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর হস্তক্ষেপে রিন্তি ও মিন্তি ফিরে পেল তাদের বাবা-মা উভয়ের সান্নিধ্য এবং তারা ফিরে পেল একটি সুখের সংসার।