স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ উচ্চ আদালতে একটি আদাশে জানাতে দৌড়াদৌড়ি শুরু করেছেন সদস্য জাতীয়করণকৃত কালীগঞ্জ সরকারী মাহতাব উদ্দীন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডল। তার এই অতি উৎসাহী ভুমিকায় জনমনে নানা সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে। কেন তিনি উচ্চ আদালতে নিস্পত্তি হয়ে যাওয়া একটি বিষয়কে অস্পুর্ণ ভাবে প্রচার করছেন ? কি তার উদ্দেশ্য ? বৃহস্পতিবার রাতে কলেজের পিয়ন আমির আলীকে দিয়ে এ প্রতিনিধির কাছে চিঠি দিয়ে মহামান্য হাইকোর্টের একটি রীট পিটিশনের আদশে অবগতি ও প্রচারের জন্য পাঠান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডল। একাধিক বানান ভুল ও সুত্র বিহীন চিঠিতে সম্বোধন করা হয়েছে “বরাবর প্রেস (সকল)”। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন সরকারী মাহতাব উদ্দীন কলেজের সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমানকে গত ০২/০৫/২০১৯ ইং তারিখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যে পূনর্বহালের আদেশ দিয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট রীট পিটিশন নং ১২২৬১/২০১৯ তারিখ ২৬/১১/২০১৯ এর আদেশে সেই পূনর্বহাল স্থগিত করেছেন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ ইন্সপেক্টরকে শোকজ করেছেন। মহামান্য হাই কোর্টের রায় না মেনে কি ভাবে অধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমানকে পুণর্বহাল দেওয়া হলো তার কারণ দর্শানোর জন্য স্ব-শরীরে মাহামান্য হাইকোর্টে স্পেশাল ম্যাসেঞ্জার দিয়ে তলব করেছেন। ১৯ ডিসেম্বরে সাক্ষরিত মজিদ মন্ডলের চিঠিতে গত ১৫/১২/২১০৯ ইং তারিখের ব্যাক ডেটের রীট পিটিশনটি হিয়ারিং ফিক্সড হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। ব্যাক ডেটের খবর কেন তিনি এতো তড়িঘড়ি করে সাংবাদিকদের জানালেন এ প্রশ্নের কোন উত্তর মেলেনি তার কাছ থেকে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ১২২৬১ নাম্বারের রীট পিটিশনটি গত ১৫ ডিসেম্বর নিস্পত্তি হয়ে গেছে এবং রায়ও বের হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ভ্যাকেট হওয়ার এই খবর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মজিদ মন্ডল জানেনই না বলে তার চিঠিতে প্রতিয়মান হয়েছে। তাছাড়া রিট পিটিশনকারী নিজের পরিচয় (সভাপতি) গোপন করে রীট করেছেন। তিনি যে তারিখে রীটটি দাখিল করেন তখন তিনি কলেজের সভাপতি ছিলেন না। তার আগেই কলেজ সরকারী করণ হয়ে গেজেটভুক্ত হয়েছে এবং কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বেতন সীটে সাক্ষর করার জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মন্ডল মুঠোফোনে বলেন, এনিয়ে তিনি কিছুই বলতে পারবেন না। তিনি কেবল হুকুমের দাস। এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন।