নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাটা আর কারো হাত থেকে নিতে হবে না। এখন থেকে এটা তাঁদের হাতে যেন সরাসরি পৌঁছে যায়, সেই ব্যবস্থাটাই আমরা নিচ্ছি এবং আমি খুবই আনন্দিত। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশে এই ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতি অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে এই ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে পারছি। এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজকে সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেছেন।

একজন মুক্তিযোদ্ধাও গৃহহীন থাকবেন না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি আগেও বলেছি, একজন মুক্তিযোদ্ধাও গৃহহীন থাকবেন না। একজন মানুষও গৃহহারা থাকবে না। যার ফলে আমরা সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি যে, মুজিববর্ষে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ, যারা ভূমিহীন-গৃহহীন, তাদেরকে যেমন ঘর দেব, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদেরও যাঁদের জীর্ণ-শীর্ণ ঘর, তাঁদের ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। আমরা চাই তাঁরা সুন্দরভাবে বাঁচুন। তাঁদের পরিবারও ভবিষ্যতে ভালো থাকবে, সেটাই আমরা প্রত্যাশা করি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি ঘর আলোকিত হবে। প্রতিটি মানুষ উন্নত জীবন পাবে ; এটাই আমাদের লক্ষ্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বপ্ন (ক্ষুধামুক্ত-দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলা) দেখেছিলেন আমরা সেই স্বপ্নই বাস্তবায়ন করতে চাই, লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত এই বাংলাদেশ হবে বিশ্বে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ।