নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মুজিববর্ষ উপলক্ষে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ২ হাজার ২০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (২২ মার্চ) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এদের মধ্যে কাজের বিনিময়ে টাকা অর্থাৎ কাবিটা প্রকল্পে প্রথম কিস্তিতে ৩৮০ কোটি ৫১ লাখ টাকা ও দ্বিতীয় কিস্তিতে ২৭৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা করে মোট ৬৬০ কোটি দুই লাখ টাকা এবং টিআর খাতে প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তিতে ২৭৮ কোটি টাকা করে মোট ৫৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ এই প্রকল্পে দুই কিস্তিতে মোট ১ হাজার ২১৬ কোটি ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

শুধু এতেই সীমাবদ্ধ নয় ; এছাড়াও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে চলমান কর্মসূচির আওতায় অধিক গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে এবার প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তির অতিরিক্ত তৃতীয় কিস্তিতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রথমবারের মতো এবার তৃতীয় কিস্তিতে কাবিটা খাতে ৫৭০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং টিআর খাতে ৪১৭ কোটি টাকাসহ মোট ৯৮৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আরও জানা যায়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নে এসব বিশেষ বরাদ্দ দেশের প্রতিটি গ্রামকে নগর সুবিধার আওতায় আনতে ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে। এছাড়াও গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও সংস্কার এবং অবকাঠামো উন্নয়নে এসব অর্থ ব্যয় করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পরিষদ এবং পৌরসভার অনুকূলে এসব বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও তৃতীয় কিস্তিতে সংসদ সদস্যগণকে প্রতি নির্বাচনী এলাকায় কাবিটা খাতে ১ কোটি ৭ লাখ ৮১ হাজার ২৮৪ টাকা এবং টিআর খাতে ৭৪ লাখ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি সংরক্ষিত মহিলা আসনে কাবিটা খাতে ৩৪ লাখ ২৪ হাজার ৬৪৩ টাকা এবং টিআর খাতে ২৫ লাখ ২ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রতি উপজেলা পরিষদে কাবিটা খাতে গড়ে ৫২ লাখ ২০ হাজার ৪৯২ টাকা এবং টিআর খাতে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬৩ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি বিভাগে টিআর খাতে ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৭৫০ টাকা করে মোট ৬ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতিটি জেলায় ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮৭ টাকা করে মোট ১২ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৯৬৮ টাকা এবং প্রতিটি পৌরসভায় ৫ লাখ ৮ হাজার ৫৩৬ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, রাদ্দকৃত অর্থে গ্রামীণ অবকাঠামো তৈরি হলে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে।