হারুনুর রশিদ, নরসিংদী প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর মেঘনা নদীতে ৩৫ কিলোমিটার সাঁতরে পার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

তিনি নরসিংদীর সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের খোদাদিল্লা গ্রামের আকন্দ বাড়ির সিদ্দিকর রহমানের ছেলে পল্লী চিকিৎসক বকুল মিয়া।

মঙ্গলবার (৩ আগষ্ট) মেঘনা নদীতে সকাল ৬ টা ৩০ মিনিটে সাহেবনগর নবীনগর বি-বাড়িয়া গাট
থেকে রায়পুরা উপজেলা হাইরমারা ইউনিয়নের মনিপুরা বাজার ঘাট পর্যন্ত ১১ টা ৫০ মিনিটে বিরতীহীন প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ সাঁতরে পার হন।
এসময় মেঘনা নদীতে তাকে এক নজর দেখতে ছোট-বড় নৌকা, স্পিড বোর্ড, নদীর পারে কয়েক হাজার উৎসুক জনতার ভিড় জমে।

দেখতে আসা উৎসুক জনতা অনেকে জানান, তার মেঘনা নদীতে সাঁতারের কথা শুনেই ছুটে এলাম। এমন কিছু আগে কখনোই দেখিনি। খুবই আনন্দ পেলাম করলাম। চাইবো তার এমন কৃতিত্বের জন্য সারা বিশ্বের মানুষ মনে রাখবে। তারি সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। তিনি নরসিংদীর সন্তান হিসাবে আমরাও গর্বিত।

বকুল মিয়া জানান, ছোটকাল থেকে সাঁতার কেটে অবস্তু। নিয়মিত সাঁতারে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হূদেরাগ ইত্যাদি দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকি অনেক কম। সাঁতারের আছে নানা স্বাস্থ্যসুফল। পল্লী চিকিৎসক হিসেবে রোগীদের পরামর্শ দিয়ে যেতাম। তারি উপলব্ধি থেকে প্রতিদিন সাঁতার কাটতাম। প্রবল ইচ্ছে শক্তি নিয়ে কাজটা বাড়িয়ে দেই। গ্রিনেজ বুকে নাম লিখানোর ইচ্ছে পুষন করেই নিজ উদ্যোগে আজকের কার্যক্রম।

উল্লেখ্য যে, বকুল ২০২০সালে ২৩ আগষ্ট বিরতীহীন মেঘনা নদীতে টানা ৪ ঘন্টায় সাঁতরিয়ে ১৫ কিলোমিটার উত্তাল ঢেউ উপেক্ষা করে পারি দেন। যার ফলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা পুরষ্কার জিতে নেন।