হারুনুর রশিদ নরসিংদী প্রতিনিধিঃ
নরসিংদীর রায়পুরায় কেবল (ডিস) ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনজন গুরুতর আহত।সোমবার সকাল ৮টায় উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের তুলাতুলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।আহতরা হলেন, একই ইউনিয়নের তুলাতুলী এলাকার মৃত লিল মিয়া মুন্সীর ছেলে মিলন মুন্সী (৪৫), মৃত রহিছ উদ্দিন মুন্সীর ছেলে মোহন মুন্সী (২৮)ও সুরুজ মিয়ার ছেলে ওসমান (৩০)। ওই সময় ককটেল ফাটিয়ে মিলনকে দা দিয়ে কুপিয়ে ও মোহন ককটেল বিস্ফোরণে রক্তাক্ত জখম হয়। পরে দুজনকে উদ্ধার করে আশংকাজনক অবস্থায় ভৈরব হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল ও কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Displaying IMG_20210315_123208_507.jpg

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তুলাতুলী গ্রামের নবী হোসেনের সঙ্গে একই এলাকার আলী আক্কাসের দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গতরাতে এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করলে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। সোমবার সকালে হঠাৎ নবী হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ, আব্দুল জব্বার, শাহাদৎ, খালেক ও রাশেদের নেতৃত্বে অর্ধশত ব্যক্তি ককটেল বিস্ফোরণ ও টেঁটা, বল্লম, দা, ছুরি ও লাঠি নিয়ে তুলাতুলীর মুন্সীবাড়িতে হামলা চালায়। ওই সময় হামলায় মিলন, মোহন ও ওসমান গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটকসহ বেশকিছু টেঁটা উদ্ধার করেছে।

এদিকে খবর পেয়ে তুলাতুলী এলাকায় আসেন রায়পুরা উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম। ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন, সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা সার্কেল) সত্যজিৎ কুমার ঘোষ, রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা (পিপিএম)।

Displaying IMG_20210315_114151_339.jpg

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তাফা (পিপিএম) বলেন, ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এক বছর ধরে দু’টি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দু’পক্ষের মধ্যকার বিরোধ সমাধান করে দেয়। গতকাল আবারও দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।তিনি আরো বলেন, খবর পেয়ে ততক্ষণাত সেখানে পুলিশ পাঠাই। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।