মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল পাওয়া যাচ্ছে না সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় আর সীমান্তে কড়াকড়ি নজরদারির কারণে ফেনসিডিল এখন দুষ্প্রাপ্য হলেও নতুন মাদক এস্কাফ দখলে নিয়ে নিচ্ছে ফেনসিডিলের জায়গা। আর এই মাদক ইতোমধ্যে ভারতীয় সীমান্ত পার হয়ে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।এস্কাফ (Eskuf) নামের নতুন এই মাদক বাংলাদেশে তারাই আনছে যারা ফেনসিডিলের কারবার করতো।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের দুর্গাপুর-মোগলহাট সীমান্ত রুট ও কুলাঘাট-বড়বাড়ী রুট দিয়ে ভারত থেকে আসা ফেনসিডিলের জায়গায় এখন এস্কাফ নামের মাদক পাচার হয়ে আসে। পাচার হওয়া এসব মাদকদ্রব্য তুলে দেওয়া হয় খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের হাতে। আর তা স্থানীয় ফেনসিডিল সেবীদের চাহিদা মিটিয়ে চলে যাচ্ছে জেলার বাহিরে।ফেনসিডিল দুষ্প্রাপ্য হওয়ায় নতুন এই মাদক সেবন করে বুদ হয়ে থাকছে যুবকেরা। ফেনসিডিলের মতো দেখতে আর কোডিন ফসফেট মিশ্রিত এ মাদক সেবনকারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এস্কাফ নামের নতুন মাদক সেবন করলে, অনুভূতি অনেকটা ফেনসিডিল সেবনের মতো হলেও অনেক সময় পেটে ব্যথা অনুভব হয়, মাঝেমাঝে মাথা ব্যথা করে, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট ফুটকুনি ওঠে আর তা অনেক চুলকায়। মুখ শুকিয়ে আসে।

এদিকে অনেক মাদকসেবীর অভিভাবক বলছে, কোনও ভাবেই কি মুক্তি মিলবেনা সন্তানের। দেশে একের পর এক আসছে নতুন নতুন মাদকের ফরমুলা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে শহরের বটতলা এলাকার এক মাদকসেবীর বাবা ও এক কলেজশিক্ষক বলেন, রক্ষা করুন আমাদের দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম কে। সে সাথে সীমান্তজুড়ে মাদক চোরাকারবারি বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।নতুন এই মাদক সম্পর্কে জানতে চাইলে লালমনিরহাট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. খাইরুল বাশার বলেন, এটি যদি ভারত থেকে এসে থাকে সে ক্ষেত্রে আমরা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেতে পাড়বো সেটি মাদক কি না। আর সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে আমরা ব্যবস্থা নিব।