মনোয়ার বাবু, (ঘোড়াঘাট) দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
জন্মের পর বাবা হারা হয় ছিলেটি। মাও বিয়ে করে চলে যায় তাকে ছেড়ে।হতভাগা ছেলেটির স্থান হয় নানির বাড়িতে। কিন্তু সেখানেও বিধি বাম।নানির বাড়ির লোকজনের নানা রকমের অত্যাচার সহ্য করে দিন কাটে তার।একদিন নিজেই বাড়ি থেকে বের হয়ে পাড়ি দেয় অজানার উদ্দেশ্যে।
বয়স ৯ অথবা ১০ বছর হবে। নাম তার শামীম বলে জানায়।বাসা বগুড়া সদর উপজেলা বলে জানালেও আর কিছু বলতে পারে না।গত দুই সপ্তাহ হল বাসা থেকে বের হয়ে হঠাৎ এক পিকনিক বাসে উঠে চলে আসে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার স্বপ্নপুরীর পিকনিক স্পর্টে।স্বপ্নপুরীতে এসে আর ফিরে যেতে পারিনি শামীম।শিশু শামীম স্বপ্নপুরীতে একা একা ঘুরে বেড়াচ্ছিল।পরে কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে স্বপ্নপুরীর সত্ত্বাধিকারী সাংসদ শিবলী সাদিককে অবহিত করে। শিশু শামীমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সাংসদ শিবলী সাদিক শামীমকে ১৫ দিন নিজের কাছে রেখে তার পরিবারের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করে। তবে বাড়িতে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানায় শিশু শামীম এবং তার উপরে হওয়া নির্যাতনের কথা খুলে বলেন সাংসদ শিবলী সাদিককে।
পরে সাংসদ শিবলী সাদিক শিশু শামীমের সার্বিক দ্বায়িত্ব নিজের কাঁদে তুলে নেন এবং পাশের এক মাদ্রাসাতে তাকে ভর্তি করে দেন।
দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক বলেন, ইয়াতীম শিশু শামীম নির্যাতনের ভয়ে তার নানির বাড়িতে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। শামীমকে আমি আমার সাথে রেখেছি এবং একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিয়েছি। আশা করছি সে একদিন কোরআনের হাফেজ হবে। তার সমস্ত  ব্যয়ভার আমি বহন করবো এবং আমি যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন আমার বাড়ির দরজা শামীমের জন্য ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে বলেও তিনি জানান।