কালীগঞ্জ(গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গত কয়েক দিন যাবত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে এম পিও ভুক্ত শিক্ষক গন একের পর এক তাদেরজন্য প্রতিমাসে তাদের অনুদনের টাকার সাথে যে বাড়ি বাড়ার ১০০০ টাকা দেওয়া হয় তা চালানের মাধ্যমে সরকারি  কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন। কিন্তু কেন বেতন ভাতা পাওয়া শিক্ষকেরা  এমন চরম কাজটি করছেন তাকি আমরা কখনো বেভে দেখেছি বা বেভে দেখার প্রয়োজন বোধ করেছি?যে বৈষম্য পীরিত  উৎসব ভাতা, বাড়ি  ভাড়া আর চিকিৎসা ভাতা যে শিক্ষকদের মর্যাদায় চরমভাবে আঘাত হানছে। শুধু যে মর্যাদায় আঘাত হানছে তা নয়। সুবিধা নামের এই ভাতাগুলো বড্ড অসুবিধার মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে বেসরকারী শিক্ষকদের।

অথচ যুগ যুগ ধরে শিক্ষকেরা শিক্ষার যে আলো ছড়িয়ে আসছেন, মূলত সেই আলোতেই আজ বাংলাদেশের এতো ঝলকানি। শিক্ষকদের কাছ থেকে শিক্ষার আলো ঠিকই নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মর্যাদার জায়গাজুড়ে দেওয়া হচ্ছে লজ্জাজনক বৈষম্য। এই বৈষম্যে শিক্ষকদের  বোনাস, বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের বিষয়গুলো জড়িত রয়েছে। শিক্ষকদের এই যৌক্তিক দাবিগুলো শিক্ষক সংগঠনগুলো তুলে ধরলেও নজর এড়িয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। কি করলে দাবি আদায়ে সংশ্লিষ্টদের নজর কারা যাবে এ প্রশ্ন অসহায় শিক্ষকদের।স্বাধীনতার পন্চাশ বছর পরে এশেও একটি উন্নয়নশীল  দেশে শিক্ষকেরাই কেবল লাঞ্চনা, বঞ্চনার, বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন  শুধুই এম পি ও ভুক্ত শিক্ষক সমাজ। এ বৈষম্য পীরিত শিক্ষক  সমাজ  নিয়ে ক্ষুধার্থ পেটে সুশৃঙ্খল জাতী গঠনে তাদের ভূমিকা কতটুকু সাবলিল হবে সে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আর শিক্ষকরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন না করে এসব বৈষম্য নিরসনের দাবিতে শিক্ষকরা একের পর এক বাড়ি ও চিকিৎসা ভাতা ফেরত দিয়ে প্রতিকি আন্দোলন করছেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তা ভাইরালও হচ্ছে রিতিমতো।এ ভাবে চলতে থাকলে আমাদের জাতি হিসেবে আমাদের৷ শিক্ষার মান কোথায় গিয়ে দাড়াবে বলতে পারেন?আট এ দায় কে বহন করবে?