রাজিব আহমেদ : প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে ও প্রাকৃতিক নিয়মে চলে যে কোনো মানুষের পক্ষে অনায়াসে ১০০+ বছর বেঁচে থাকা সম্ভব। দীর্ঘজীবনের রহস্য কোনো ভ্যাকসিন-এ লুকিয়ে নেই। ওষুধ, হাসপাতাল, ডাক্তারের কাছেও নেই, আছে কেবল প্রকৃতিতে।

যার টেলোমেয়ার যত দীর্ঘ, তিনি তত সুদীর্ঘ জীবনের অধিকারী। DNA-এর ভেতরে টেলোমেয়ার-এর অবস্থান। নোবেল জয়ী এলিজাবেদ ব্লাকবার্ন ও ডিন অনির্শ আবিষ্কার করেন যে, টেলোমেয়ার-এর ক্ষয় বন্ধ করে দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, প্রাণায়াম, ধূমপান বর্জন, সঠিক ওজন ও মেডিটেশন অত্যন্ত কার্যকর।

মানুষকে তৈরি করা হয়েছে মূলত নিরামিষ খাওয়ার উপযোগী করে। সাদাসিধে জীবনযাপন, সাধারণ খাবার আর ব্যায়াম আপনার সুস্বাস্থ্য অটুট রাখতে সহযোগিতা করবে। মানবদেহে সব সময় pH-এর মান সঠিক রাখতে ৯০% উদ্ভিদজাত খাবার খেলে ১০% প্রাণীজ খাবার খান। কিন্তু আমরা করি ঠিক তার উল্টোটা। সে কারণে মানুষ ছাড়া কোনো প্রাণীর মলত্যাগে অযথা দুর্ভোগ পোহাতে হয় না!

তেল ও চিনি মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়। এগুলো যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। কমপক্ষে ৭০% জীবন্ত খাবার (প্রকৃতিতে যে অবস্থায় পাওয়া যায়) খান। বিভিন্ন রকমের বীজ ও বাদাম খান। সপ্তাহে দুইদিন ছোট মাছ, দুইদিন বড় মাছ, একদিন মাংস ও দুইদিন নিরামিষ খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। রাতে মাছ-মাংস কোনোটাই খাবেন না।

দিনে মোটের ওপরে তিনবারের বেশি খাদ্যগ্রহণ করবেন না। খাবার সব সময় চিবিয়ে খাবেন। প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি পান করুন। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করুন, গায়ে রোদ লাগান ও সব সময় হাসিখুশি থাকুন।

করোনাক্রান্ত হয়ে তাঁরাই মারা যাচ্ছেন- যাঁরা মূলত করোনাতঙ্কে ভূগছেন। কোনো কারণে আতঙ্কগ্রস্থ হলে দেহের পুরো ইমিউন সিস্টেমই ভেঙে পড়তে পারে!

করোনার জীবাণু মোটেও ছোঁয়াচে নয়, তবে করোনাতঙ্ক মহা-ছোঁয়াচে!

জীবনভর সুস্থ থাকার মহাকৌশল-
ক্ষুধা না লাগলে খাবেন না আর যখনি খাবেন, কিছুটা ক্ষুধা বাকি থাকতেই খাওয়া ছেড়ে উঠে পড়বেন!