এস. এ বিপ্লব, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় আবদ্ধ জলাশয়ে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে বর্জ্য, ফলে স্বচ্ছ পরিবেশের স্থায়ীভাব গড়াচ্ছে হুমকির মুখে।

বসতবাড়ীর পাশে পঁচা পানির জলাবদ্ধতায় ও চরম দুর্গন্ধে বিপাকে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা। এতে করে চরমভাবে দূষিত হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্যতা।

তুক্তভোগী বাবলু জানান, উপজেলা সদরের সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন কাঠপট্টি এলাকায় তার বাসা সংলগ্ন ৫/৬ শতাংশ জায়গা ঘিরে একটি ডোবায় প্রায় সারা বছর দুর্গন্ধযুক্ত পানি জমে থাকে। ডোবার পাশে অবস্থিত হোটেলের কারখানার নোংরা বর্জ্য ও দূষিত পানি এই ডোবায় এসে জমা হয়। আশ পাশের বাড়ীগুলোর পায়খানা ও পেশাবের নোংরা পানি ও চুজ টেঙ্কের মাধ্যমে এই ডোবায় এসে জমা হয়। ডোবা হতে পানি নিষ্কাশনের কোন পথ না থাকার ফলে নোংরা বর্জ্যগুলো পঁচে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে চরমভাবে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এছাড়াও বর্ষা মৌসুমে ওই ডোবায় পনি আবদ্ধ থাকায় বাড়ীর ভিতরে পানি প্রবেশ করে যা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। ইতোপূর্বে ওই ডোবা হতে পানি নিষ্কাশনের পথ ছিলো কিন্তু স্থানীয় বাড়ীর মালিকরা সেই পথ বন্ধ করার ফলে এভাবে দুরাবস্থার মধ্যে পড়তে হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পরবর্তী সময়ে পানি বেশি হয়ে গেলে নিজেরা মেশিন লাগিয়ে সেচ দিয়ে পানি কমান ভুক্তভোগীরা। এতেও এক প্রকার ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে স্যানেটারী ইন্সপেক্টর শওকত হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি দেখেছি। এই ডোবা বন্ধ করার জন্য জায়গার মালিককে বলা হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেয়নি জায়গার মালিক মৃত মফিজ উদ্দীনের ছেলে রানা।

এ বিষয়ে রানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এবিষয়ে সাপাহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহাজাহান হোসেন মন্ডলের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এটি যেহেতু স্থানীয় বিষয় সেহেতু স্থানীয়রা বসে এর সমাধান করতে পারে। সেক্ষেত্রে আমাদেরকে ডাকলে আমরাও গিয়ে বিষয়টি নিরসনে চেষ্টা করবো।