আব্দুর রহমান, সিরাজগঞ্জ থেকেঃ সদর উপজেলায় ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসা দেওয়ার অপরাধে অর্থদন্ড। শনিবার (১ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডাক্তার সনদ না থাকা এবং নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা করার অপরাধে পিপুলবাড়িয়া ও মহিষামুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিরাজগঞ্জের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্টে বিএমডিসির সনদ এবং চিকিৎসক না হওয়ার সত্ত্বেও নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা করার অপরাধে পিপুলবাড়িয়ায় ২ ব্যক্তিকে এবং মহিষামুড়ায় ১ ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, মৃতঃ মনিন্দ্র নাথের ছেলে, শংকর কুমার (৪০), সাং হরিনা, সদর, সিরাজগঞ্জ, মৃতঃ মোয়াজ্জেম মন্ডলের ছেলে মোঃ চাঁন মিয়া(৪০), সাং ক্ষুদ্র বয়রা, সদর, সিরাজগঞ্জ এবং মোঃ শাহিন আলমের ছেলে, মোঃ আব্দুর রহিম (২২), সাং- মহিষামুড়া, সদর, সিরাজগঞ্জ। মোবাইল কোর্ট এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন উক্ত অপরাধে ১-২ নং আসামিকে মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ এর ২৯ ধারায় ১নং আসামীকে ২০,০০০/-এবং ২নং আসামীকে ৩০,০০০/- টাকা করে মোট ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা এবং ৩ নং আসামীকে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ৩৭ ধারায় ১,০০০/-(এক হাজার) টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ রিজেন্ট রাখার দায়ে ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার রেজাউল করিমকে (৩৮) মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরী (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ এর ১৩ ধারায় ৫,০০০/- টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন কর্মকর্তা ছিলেন ডা. বিজন ঘোষ, সদর হাসপাতাল, সিরাজগঞ্জ। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগিতা করেন RAB-12 এর এএসপি মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান ও তার দল এবং জেলা পুলিশের সদস্যগণ। জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট অব্যহত থাকবে।