আব্দুর রহমান, সিরাজগঞ্জঃ প্রায় দেড় মাস পর মার্কেটসহ ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো চালু করে দেওয়ার পর আজ মঙ্গলবার ৩য় দিনে মার্কেটগুলোতে উপচে পরা ভিড় লক্ষ্য করা যায়।সরকার সারা দেশে মার্কেট খোলা রাখার সিদ্ধান্তে সোস্যাল মিডিয়া পক্ষ বিপক্ষ ঝড় ওঠে। সিরাজগঞ্জের এসএস রোডস্থ বড় বড় মার্কেট ও নিউ মার্কেটের দোকান গুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি। দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা হলেও তার ব্যবহার দেখা যায়নি। গ্রাহক ও মালিক কর্মচারিদেরকে স্যানিটাইজার, মাস্ক, গ্লোভ্স ব্যবহার করতে কম দেখা গেছে। অনেকের মুখে মাস্ক ও গ্লোভ্স ছিল না। নারীদের পরনে বোরকা থাকলেও নিরাপত্তার জন্য ছিল না মাস্ক। অনেকের সাথে শিশু সন্তান থাকলেও তারা ছিল অরক্ষিত।
একটি স্কুলের শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক তার পরিবার নিয়ে এসেছেন ঈদের কেনা কাটার জন্য। তিনি বলেন বছরের বিশেষ দিন তাই আগে ভাগেই কেনা কাটা সারতে এসেছি।
স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত হায়দার আলী নিউ মার্কেট এলাকায় কেনা কাটা বরতে এসে দৈনিক আজকের সিরাজগঞ্জকে জানান, সাধারন মানুষ হুমরি খেয়ে রাস্তায় বেরিয়েছে এতে করোনার প্রভাব বেরে যাওয়ার সম্ভাবনায় আবারও মার্কেট বন্ধ হয়ে যেতে পারে এই আশঙ্কায় আগেই কেনা কাটা করতে চলে এসেছি। তাকে স্বাস্থ্য বিধি না মেনেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন এ কথা প্রশ্ন করলে তিনি আরও বলেন বাসা থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে এসেছি। জামােকেমপ্লেক্সের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, নতুন কোন পোশাক ঢাকা থেকে আনা সম্ভব হয়নি, আগের পোষাকগুলোই বিক্রি করছি। শহরের সুনামধন্য কাপড়ের দোকান মেলা ফ্যাশান হাউসের প্রোপাইটার ফেরদৌস রবিন জানান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসা করছি, নির্দিষ্ট সংখ্যক গ্রাহক দোকানে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। শিশুদের কিছু পোষাক বিক্রি হলেও, বড়দের পোষাকের কেনা বেচা শুরু হয়নি।এদিকে করোনার সংক্রমনের ঝুকি বৃদ্ধি পেতে পারে এ আশঙ্কায় স্থানীয় প্রশাসন কঠোর ভাবে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি পালনের পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছন সচেতন মহল।