স্টাফ রিপোর্টারঃ রবিবার (১৭ জানুয়ারি) বাদ আসর নিহত কাউন্সিলর তরিকুল ইসলাম খানের হাতে গড়া নতুন ভাংগাবাড়ি ঈদগাহ মাঠে তার জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। স্থান সংকুলান না হওয়ায় দুই ধাপে জানাজা নামাজ সম্পন্ন করা হয়। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে চোখের জলে বিদায় নেন দূর্বৃত্তের হাতে নিহত নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর মরহুম তরিকুল ইসলাম খান। জানাযা শেষে রহমতগঞ্জ কবরস্থানে শেষ নিদ্রায় শায়িত করা হয়। এসময় সিরাজগঞ্জ পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য সম্মানিত ব্যাক্তিবর্গসহ সাধারন জনগণ উপস্থিত ছিলেন।এদিকে এরকম অনাকাংখিত মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছে না তার সমর্থকবৃন্দরা। উক্ত ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে থম থমে বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।অন্যদিকে, সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের সিরাজগঞ্জে নিহত তরিকুল ইসলামের ঘটনাকে দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন।উল্লেখ্য, গতকাল অনুষ্ঠিতব্য পৌরসভা নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডে তরিকুল ইসলাম খান ডালিম প্রতীক নিয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্ধী উটপাখি প্রতীকে অংশগ্রহনকারী শাহাদৎ হোসেন বু্দ্দিনের সাথে ৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। শহীদগঞ্জ গ্রামের ভোট কেন্দ্রের ফলাফল প্রচার করার পর তরিকুল ইসলামের সমর্থকরা আনন্দ মিছিল শুরু করে এবং অন্ধকার থাকায় প্রতিপক্ষ পরাজিত গ্রুপের সমর্থকরা ডালিম প্রতীকে জয়ী কাউন্সিলর তরিকুল ইসলামের বুকে এবং পেটে ছুরি বসিয়ে দেয়। দ্রুত চিকিৎসার জন্য প্রথমে শহরের প্রাইম হসপিটালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ ফজিলাতু্ন্নেছা সরকারী হাসাপাতালে স্থানান্তরিত করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দাফন শেষে রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয় এবং পরিবারে পক্ষ থেকে দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচার সম্পন্ন করা দাবী জানানো হয়।