নাদিম হায়দার

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হাসপাতাল চত্বরে জোর পূর্বক গাড়ী পার্কিং করার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালী বেশ কয়েকজন গাড়ীর মালিকের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ নিয়মিত হাসপাতাল চত্বরে গাড়ী পার্কিং রেখে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে মর্মে অভিযোগ হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের।

এতে করে সরকারী এম্বুলেন্স সেবা ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত ভোগান্তি শিকার হচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ সেবা নিতে আসা রোগীরা।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক হাসপাতাল চত্বরে ব্যক্তি মালিকানাধীন গাড়ী পার্কিংয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও গাড়ীর মালিকরা তা মানছেন না।

এমনকি খোদ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা একাধিকবার গাড়ীর মালিকদের নিষেধ করেও পার্কিং ঠেকাতে পারেন নি। গাড়ীর মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে প্রভাব খাটিয়ে অনেকটা জোর করেই হাসপাতাল চত্বরে তাদের গাড়ী পার্কিং রেখে নিয়মিত ভাড়ায় দিচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্ত্বরে সর্বমোট ১১টি গাড়ী পার্কিং রাখা হয়। এর মধ্যে গাড়ীর মালিক রনি চৌধুরীর নোয়া ১টি, রনেলের এক্স করল্লা ২ টি, আবু তাহেরের নোয়া ১ টি, দেলোয়ারের মারসিটিস ১ টি, আফজাল ২ টি, নূর নবীর ১ টি, সোহেল ১টি, সিরাজ ১ টি ও ওয়াহিদের ১ টি গাড়ী নিয়মিত পার্কিং রেখে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ব্যক্তি মালিকানাধীন গাড়ী সমূহ হাসপাতাল চত্বরে পার্কিং রাখার নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরও কোন সুরাহা না হওয়ায় অনেকটাই নির্বিকার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনটাই সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে।

অপরদিকে বেশ কয়েকজন গাড়ীর মালিকের সাথে যোগাযোগ করে জোরপূর্বক গাড়ী পার্কিংয়ের ব্যপারে জানতে চাইলে তারা বিভিন্ন ভাবে কথা এড়িয়ে গেলেও বিসমিল্লাহ রেন্ট-এ-কারের মালিক আবজাল হোসেন দেওয়ান বলেন, আগে গাড়ী ভিতরে রাখতাম কিন্তু এখনতো রাখি না। আমি ছাড়াওতো অনেকে ভিতরে গাড়ী রাখে তাদেরকে ধরেন। আর আমরাতো হাসপাতালের রোগীদের উপকার করি। হাসপাতাল চত্বরে পার্কিংয়ের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও জোরপূর্বক গাড়ী পার্কিংয়ের বিষয় প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি।

সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আনজুমান আরার মুঠোফোনে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ নি ।