তোতা মিয়া , প্রদায়ক , মেহেরপুর।
মেহেরপুর জেলার বুড়িপোতা ইউনিয়নের হরিরামপুর গ্রামে বাঘের বাচ্চা ধরা পড়লো।
 মুকুল(৫০)  হরিরামপুর উত্তর মাঠে জমিতে ঘাস কাটতে যান। ঘাস কাটা অবস্থায় তিনি দেখেন একটি বাঘের বাচ্চা তার ঘাসের জমিতে ঘুমাচ্ছে। তিনি ওই বাঘের বাচ্চাটা তৎক্ষনাৎ ধরার চেষ্টা করেন। তখন বাচ্চাটা চিৎকার করে উঠলে সেই চিৎকারে বাচ্চাটার মা (বাঘ) এসে মুকুলের উপর আক্রমণ করে।  তিনি ভয় পেয়ে  বাচ্চাটা ফেলে পালিয়ে যান।
বুধবার সকালে ঘঠনা বেস সাড়া ফেলেছে অত্র এলাকায়।
 রশিদ জমিতে সাথে ড্রাগন ফলের বাগান আছে সে বাগানে গেলে  মুকুলের মুখে বাঘের গল্প শোনেন। মুকুলকে সাথে নিয়ে ঘাসের জমিতে যান রশিদ বাঘ দেখার উদ্দেশ্যে। তখন একটি বাচ্চা মুকুলের ঘাসের জমি থেকে বেরিয়ে আসে রশিদ সে বাচ্চাটিকে কৌশলে ধরে ফেলেন। বাঘের বাচ্চাটি চিৎকার  শুরু করে এই সময় ঘাসের মধ্যে থেকে মা বাঘটির গর্জনের আওয়াজ শোনেন রশিদ। তিনি তৎক্ষনাৎ বাচ্চাটি নিয়ে ওখান থেকে সরে আসেন এবং বাচ্চাটি নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। এই খবর শ আশেপাশে ছড়িয়ে পড়লে লোকজন আসেন বাঘের বাচ্চা দেখতে। পরে মুরুব্বিদের মুখে শোনা যায় এই বাঘটি কেদো বাঘ নামে এলাকায় পরিচিত। দৈনিক এই আমার দেশ রশিদ কে বনবিভাগকে এই বিষয়ে কিছু বলেছে কিনা জিজ্ঞেস করলে,  তিনি বলেন বনবিভাগকে জানানোর বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না, যদি কোন সরকারি লোক আসেন বাঘের বাচ্চাটি নিতে তাহলে তিনি তাকে বাচ্চাটি দিয়ে দেবেন নয়তো কাল সকালে যেখান থেকে ধরেছেন সেখানেই ছেড়ে দিয়ে আসবেন বলে তথ্য দেন। এই তথ্যর উপর দৈনিক এই আমার দেশের জেলা প্রতিনিধি মির্জা গালিব উজ্জ্বল মোঃ জাফারুউল্লা, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বনোবিভাগ মেহেরপুরে যোগাযোগ করেলে তিনি বলেন আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি খুব দ্রুত বাচ্চা বাঘটিকে তার মায়ের কাছে ফেরত দেওয়ার ব‍্যাপারে।